Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:০০ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

রুহুল কবির রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ফাইল ফটো

পাতানো নির্বাচন করতেই মামলা দিচ্ছে সরকার : বিএনপি

পাতানো এবং সাজানো নির্বাচন করতেই বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে সরকার মামলা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, আগাম ভয় পেয়ে সরকার বিএনপির বিরুদ্ধে এই ধরনের আচরণ শুরু করেছে। সরকার প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচন সামনে রেখে সরকার বিরোধী মত শূন্য করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। ক্ষমতা ধরে রাখতে সরকার পাইকারি হারে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরু ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের কাছে আষাঢ়ে গল্পের একটা ফরম্যাট সব সময় প্রস্তুত করা থাকে। সময়মতো বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করে সেগুলো ব্যবহার করা হয়। এবারেও পুলিশ তা-ই করেছে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখেই এসব গ্রেপ্তার চলছে।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকার ছক ধরে এগোচ্ছে। সারা দেশ নিঃশব্দ ও জনশূন্য করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে গতকাল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা সেটিরই প্রথম পদক্ষেপ।

রিজভী বলেন, আওয়ামী সরকার আর কোনোভাবে বিরোধী দলের অস্তিত্ব মানতে পারছে না। তারা এখন ফ্যাসিবাদের উত্তুঙ্গ মাত্রায় পৌঁছে গেছে। ক্ষমতাকে যক্ষের ধনের মতো আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য কুটিল রাজনীতি, ষড়যন্ত্র আর তঞ্চকতাই হচ্ছে আওয়ামী রাজনীতির পরিচিতি। সরকারপ্রধানসহ আওয়ামী নেতাদের প্রতিদিনের ভাষা, সংলাপ, জবাব সন্ত্রাসী-ক্রূরতার আস্ফালন ছাড়া অন্য কিছু নয়।

রিজভী বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের পুলিশ বাহিনী সরকারের গণবিরোধী নীতি জনগণের মধ্যে প্রয়োগ করতে নিষ্ঠাসহকারে হানাদার বাহিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। আর সে জন্য বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। পতন নিশ্চিত জেনেও সরকার বারবার এ ধরনের বিপজ্জনক খেলায় মেতে উঠেছে।

রুহুল কবির রিজভী তার দলের পক্ষ থেকে এই মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।