Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:২৩ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

আমির হোসেন আমু
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (ডিসিসিআই) নব নির্বাচিত নেতারা আজ শিল্পমন্ত্রীর সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা জানান।

পাট পণ্যের এ্যান্ট্রি-ডাম্পিং নিয়ে ভারতে আলোচনা করবো : শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, পাটজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আরোপিত এ্যান্ট্রি-ডাম্পিং ব্যবস্থা নিয়ে ভারতে অনুষ্ঠেয় তৃতীয় বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে আলোচনা করা হবে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (ডিসিসিআই) নব নির্বাচিত নেতারা আজ শিল্পমন্ত্রীর সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা জানান।

শিল্পমন্ত্রী ভারতের কলকাতায় তৃতীয় বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে অংশগ্রহণের জন্য আগামীকাল কলকাতা যাচ্ছেন। সফরকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীসহ ভারত সরকারের নীতি নির্ধারকদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের ১৫০ কোটি মুসলমানের জন্য হালাল খাদ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্য রপ্তানির জন্য বিএসটিআই এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতায় হালাল সার্টিফিকেশনের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি জানান, বিসিক শিল্পনগরি এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য আলাদাভাবে প্লট বরাদ্দ দেয়ার পাশাপাশি সিঙ্গেল ডিজিট সুদে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাটের পাল্প থেকে কাগজ তৈরির লক্ষ্যে কাঁচামাল প্রাপ্তির বিষয়টি অগ্রাধিকার দেয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে সিনিয়র শিল্পসচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, ডিসিসিআই এর নতুন সভাপতি আবুল কাসেম খান, সিনিয়র সহসভাপতি কামরুল ইসলাম, সহসভাপতি হোসেন সিকদারসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পাট থেকে কাগজ তৈরি, হালাল খাবারের অনুকূলে বিএসটিআই এর হালাল সার্টিফিকেশন, এসএমই উদ্যোক্তাদের ইকোনোমিক জোনে প্ল¬ট বরাদ্দ প্রদান, সিঙ্গেল ডিজিটে অর্থায়ন, বিভিন্ন শিল্পখাতে ব্যাক-ওয়াড লিংকেজ স্থাপন, এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স ফি হ্রাস, বাইসাইকেল শিল্পখাতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ঢাকা চেম্বারের নেতারা বলেন, পাটজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আরোপিত এ্যান্ট্রি-ডাম্পিং ব্যবস্থার ফলে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। বন্ধুপ্রতীম প্রতিবেশি রাষ্ট্র হিসেবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদার ও বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এ বিষয়ে এখনই উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। তারা এ বিষয়ে দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।