ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:২৪ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

পাকিস্তানের রাজনীতি এখনও সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে

পাকিস্তানের রাজনীতি এখনও সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার। দেশটির প্রথম এই নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, পাক প্রধানমন্ত্রীর যথেষ্ট ক্ষমতা ও স্বাধীনতা নেই। শুক্রবার আল জাজিরার হেড টু হেড অনুষ্ঠানে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, আল জাজিরার অনুষ্ঠানে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি সেনাবাহিনী, কাশ্মীর, মার্কিন ড্রোন হামলাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলেন। হিনা রব্বানি মনে করেন, ২০১৩ সালে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বেসামরিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছিল পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা। তবে, সেনা দখল থেকে পাকিস্তান মুক্ত হয়েছে বলে মনে করেন না সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ ক্ষমতায় এলেও দেশের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর প্রভাব দূর করতে পারেনি। বেসামরিক হস্তান্তর হয়েছে শুধু নামেই। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বেনজির ভুট্টোর মৃত্যুর পর ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসে বেনজিরের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। ২০০৮ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত পিপিপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন হিনা রব্বানি খার।
হিনা আরও বলেন, পাক প্রধানমন্ত্রীর যতটা থাকা দরকার তার চেয়ে অনেক কম স্বাধীনতা রয়েছে। পাকিস্তানের প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি বলেন, পাক প্রধানমন্ত্রীর দফতরে আধিপত্য বিস্তার করেছে দেশটির শক্তিশালী সামরিক প্রশাসন।
কাশ্মীর ইস্যুতে হিনা রব্বানি বলেন, কাশ্মীরের জনগণই ঠিক করবে তারা পাকিস্তানে থাকবে নাকি ভারতে অথবা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে থাকবে।
টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অ্যাবোটাবাদ শহরে ওসামা বিন লাদেনের অবস্থানের বিষয়ে যাবতীয় দায় ঝেড়ে পাকিস্তানের হিনা দাবি করেন, লাদেনের পাকিস্তানে থাকার বিষয়টি অবশ্যই দেশের গোয়েন্দা ব্যর্থতা। কিন্তু, তার জন্য সরকার কখনোই দায়ী নয়। এ সময় হিনা রব্বানি ড্রোন হামলার বিষয়ে সাবেক পিপিপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির কিছু ভূমিকার প্রতি সমর্থন দেয়ার চেষ্টা করেন।