Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৩২ ঢাকা, শুক্রবার  ১৬ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

ড. হাছান মাহমুদ
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, ফাইল ফটো

‘পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত’

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ পাকিস্তানের সাথে বিরাজমান বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃমূল্যায়ন করার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারের উচিত দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

তিনি আজ দুপুরে নগরীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের পীর ইয়েমেনী মার্কেটের সামনে শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন। আলবদর নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকর করায় জামায়াতের ডাকা হরতালের প্রতিবাদে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ড. হাছান মাহমুদ মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকর করায় পাকিস্তানের দেওয়া বিবৃতির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘ আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবেন না। আপনারা নাক গলালে আপনাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর ক্ষমতা আমাদেরও রয়েছে।’

পাকিস্তানকে জঙ্গিদের বংশ বিস্তারের দেশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের জন্য মায়াকান্না না করে যাদেরকে আপনাদের লোক মনে করেন -তাদেরকে আপনাদের দেশে নিয়ে যান।’

শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম আতিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতা কামাল চৌধুরী, হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, ডা. দিলীপ রায়, মিরাজ হোসেন ও জোবায়দুল হক রাসেল।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের তার দলের কেন্দ্রীয় নেতা বানিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

তিনি বলেন ‘বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের কর্মকান্ডের মাধ্যমে বোঝা যায় জিয়াউর রহমান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। কারণ জিয়া সাকা-আলীমদের নেতা ছিলেন আর বেগম জিয়া তাদের সন্তানদের নেতা হয়েছেন।’

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে দেশের অনেক মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে এবং যারা আশ্রয় দিয়েছে তাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে গেলেন আর তার স্ত্রী সন্তান ক্যান্টনমেন্টে অবস্থান করলেন কিভাবে?

হাছান বলেন, হরতাল গণতন্তের চূড়ান্ত ভাষা। আমরাও বিরোধীদলে থাকার সময়ে হরতাল করেছি। পুলিশের নির্যাতন ও বিএনপি-জামায়াতের হামলার পরও আমাদের নেতা-কর্মীরা কখনো মাঠ ছাড়েনি। আর এখন যারা হরতাল আহবান করে তাদের দূরবীন দিয়েও দেখা যায় না।

তিনি বলেন, জামায়াত নেতাদের পক্ষে পাকিস্তানের বিবৃতি প্রদান এটাই প্রমাণ করে- মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘঠনের দায়ে যুদ্ধাপরাধীদের দেওয়া মৃত্যুদন্ড সঠিক হয়েছে।

জামায়াতের হরতালকে শতভাগ প্রত্যাখ্যান করায় তিনি দেশের মানুষকে অভিনন্দন জানান।