Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৩২ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান
নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, ফাইল ফটো

পাকিস্তানকেই ১৯৫ জন পাক যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে হবে : শাজাহান খান

আন্তর্জাাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের আহ্বায়ক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেরেছন, আন্তর্জাতিক সকল আইনে এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ঘোষণা অনুযায়ী পাকিস্তানী ১৯৫ জন সেনা সদস্য ছিল আন্তর্জাতিক মানবতা বিরোধী অপরাধে প্রমাণিত অপরাধী ।
তিনি বলেন, পাকিস্তান সরকার প্রণীত হামিদুর রহমান কমিশনের রিপোর্ট এই জঘন্য অপরাধী সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংস অপকর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচার স্বাধীনতা হলে আন্তর্জাাতিক যুদ্ধাপরাধ গণ বিচার আন্দোলন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক আবেদ খান, শিরীন আখতার এমপি, মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদির গামা,বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মিয়া, চলচ্চিত্রকার কাজি হায়াৎ, টিভি উপস্থাপক অঞ্জন রায় আবৃৃত্তিকার রোকেয়া প্রাচী প্রমূখ।
শাজাহান খান বলেন, পাকিস্তানি সেনাদের সংঘটিত গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, ধর্ষণসহ নৃশংস যুদ্ধাপরাধের দায়ে চিহ্নিত ১৯৫ সেনা কর্মকর্তার বিচার চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্থানকে করতে হবে।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর পাকিস্তানি ১৯৫ সেনা কর্মকর্তার প্রতীকী বিচারের লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ ঘটে এ সংগঠনের। সংগঠনটির নেতারা বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে নামের সঙ্গে ‘আন্দোলন’ শব্দটি যুক্ত করেছে। একই সঙ্গে তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে আংশিক পরিবর্তন এনেছে। এগুলো উপস্থাপন করতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন বলে জানান সংগঠনের আহ্বায়ক ও নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।
তিনি বলেন, এ সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৫ পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তার বিচারের জন্য পাকিস্তানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি এবং জামায়াত ও ছাত্রশিবির নিষিদ্ধ করতে দেশকে আরও সমৃদ্ধশালী করে স্থায়ী শান্তি ও সুশাসনের সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করবে।
এজন্য তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে ১৯৫ সেনা কর্মকর্তার বিচারের দাবিতে এবং পাকিস্তান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে ৩১ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো জনতার সামনে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ গণবিচার আন্দোলন’ এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে জনতার আদালতে ১৯৫ সেনার প্রতীকী বিচার কাজ করা হবে।
একই দাবিতে ৩ ফেবুয়ারি সংসদে প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য স্পিকারের কাছে স্বারকলিপি প্রদান, ১৭ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে সমাবেশ, ২০ ফেব্রুয়ারি মতিঝিল বলাকা চত্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত র‌্যালি এবং ২ মার্চ সকল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ গণবিচার আন্দোলন।