ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:০৮ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফাইল ফটো

‘পদ্মা সেতু ২০১৮ সালে চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে এবং ২০১৮ সাল নাগাদ এ সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সাহসী নেতৃত্ব ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আজ সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের স্বার্থে ভাঙ্গা-বরিশাল সড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের জন্য এডিবির অর্থায়নের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি ও ডিটেইলড ডিজাইন সমাপ্ত হয়েছে। বৈদেশিক সহায়তা প্রাপ্তির জন্য পিডিপিপির অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রযেছে। ইতোমধ্যে ঢাকা-খুলনা (এন-৫) মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী ইন্টারসেকশন থেকে (ইকুরিয়া-বাবুবাজার লিংক সড়কসহ) মাওয়া পর্যন্ত এবং পাঁচ্চর-ভাঙ্গা অংশে ধীর গতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেনসহ ৪-লেন উন্নীতকরণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এ প্রকল্প দু’টি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সহজতর হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বরিশালে ২টি সরকারি ও ২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তাই বরিশালে কোন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব এ্যানিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভ্যাটেরিনারী মেডিসিনকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পরিকল্পনা সরকারের আপাততঃ নেই। উল্লেখ্য, কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বরিশালে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপনের কাজ সমাপ্তির পথে রয়েছে। এছাড়া বরিশাল বিভাগে বর্তমানে ৪টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ৬টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত ১৩০টি এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে সরকারের বর্তমান প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে পদ্মা সেতু, রেল যোগাযোগ ও পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দরসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আমরা গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন খাতে গৃহীত উল্লেখযোগ্য পরিকল্পনাসমূহ এ সংসদে উপস্থাপন করছি।
তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত প্রকল্প- জেলা সড়ক উন্নয়ন (বরিশাল জোন), বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে পায়রা নদীর উপর পায়রা সেতু (লেবুখালী সেতু) নির্মাণ, , খুলনা (রূপসা)-শ্রীফলতলা-তেরখাদা সড়ক (জেড-৭০৪১) উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকা-খুলনা (এন-৫) মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী ইন্টারসেকশন থেকে (ইকুরিয়া-বাবুবাজার লিংক সড়কসহ) মাওয়া পর্যন্ত এবং পাঁচ্চর-ভাঙ্গা অংশ ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেনসহ ৪-লেনে উন্নীতকরণ, জাতীয় মহাসড়ক এন-৮ এর ভুরঘাটা-বরিশাল-লেবুখালী সেতু পর্যন্তসড়ক উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এছাড়া পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন, (২য় সংশোধিত) বরিশাল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটকে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে উন্নীতকরণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এছাড়াও দক্ষিণ অঞ্চলের উন্নয়নে আরো অনেক প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।