ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫৬ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

পড়ে যাবেন না, প্লিজ

বয়স যত বাড়ে, শরীর অশক্ত হয়। বাড়ে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। অনেক সময়ে দুর্বল করে দেয় কিছু ওষুধও। কিন্তু কয়েকটা নিয়ম মেনে চললে পড়ে যাওয়া  দিব্যি এড়ানো যায়।
• বেছে নিন ঠিক জুতো। হাই হিল বা সরু সোলের স্লিপার চলবে না। পিছলোয় না এমন শক্ত সোলের চটি-জুতো পরুন।
• হোঁচট খেতে পারেন বা পা পড়লে পিছলে যেতে পারেন এমন জিনিস ঘরে চলাফেরার পথ থেকে সরিয়ে ফেলুন। যেমন বাক্স, খবরের কাগজ, গোটানো মাদুর-শতরঞ্জি-কার্পেট, তার। জামাকাপড়-থালাবাটি মেঝেতে ছড়িয়ে থাকলে চলবে না। তেল-টেল পড়লেই মুছে নিতে হবে। বাথরুম শুকনো রাখুন। বাইরে গেলে অসমান জায়গা এড়িয়ে চলুন। টোটো, অটো, রিকশা, সাইকেল, মোটরবাইক থেকে সাবধান!
• ঘর আলোকিত রাখুন। রাতে বেডরুম, বাথরুম, লিভিং স্পেসে নাইট-লাইট জ্বেলে রাখুন। বেডসুইচও জরুরি। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করুন বড় আলো জ্বেলে।
• নিয়মিত চলাফেরা করুন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হাঁটা, হাল্কা ব্যায়াম, সাঁতার কাটা দরকার। শুয়ে-বসে থাকলে শরীরে জং ধরে যায়
• চলাফেরার প্রয়োজনে সহায়ক যন্ত্র ব্যবহার করুন। যেমন, ওয়াকার নিয়ে হাঁটতে পারেন। সিঁড়ি ভাঙার সময়ে পাশের রেলিং ছাড়বেন না। শাওয়ার, কল, কমোডের পাশে যেন হাতল থাকে। বসে হ্যান্ডশাওয়ার দিয়ে স্নান করা বেশি নিরাপদ।

ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন তিনটি বিষয়ে

• যে সব ওষুধ খাচ্ছেন তার মধ্যে ঘুমের ওষুধ বা এমন কিছু আছে কি না, যা আপনাকে দুর্বল করে দিতে পারে, মাথা ঘুরতে পারে, হাত-পা কাঁপতে পারে।
• আগে কখনও যদি পড়ে গিয়ে থাকেন, কখন কী ভাবে পড়েছিলেন তা যতটা সম্ভব মনে করে ডাক্তারকে বলুন, যাতে তিনি পড়ার কারণ আঁচ করতে পারেন।
• চোখ ও কানের কিছু সমস্যায় পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। গাঁটে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা চোখ অন্ধকার হয়ে গেলেও বিপদ। কতটা চাপ আপনি নিতে পারেন, ডাক্তারের কাছে জেনে নিন। আনন্দবাজার