ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:০৭ ঢাকা, বুধবার  ১৭ই অক্টোবর ২০১৮ ইং

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকেও সেরা পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া

sheershamedia_911ওয়াসফিয়া নাজরীন একজন বাংলাদেশী পর্বতারোহী। তিনি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের বছরের সেরা দশ অ্যাডভেঞ্চারারের তালিকায় স্থানsheersha_media911 পেয়েছেন

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক তাদের ওয়েবসাইটে এই দশ অ্যাডভেঞ্চারের তালিকা প্রকাশ করেছে, ওয়াসফিয়া নাজরিন অ্যাক্টিভিষ্ট ক্যাটাগরিতে এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।

প্রতি বছর পাঠকদের ভোটে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক একজনকে ‘অ্যাডভেঞ্চারার অব দ্যা ইয়ার’ নির্বাচিত করে। ২০১৪-১৫ সালের জন্য মনোনীত দশজনের তালিকা থেকে একজনকে এখন এজন্য বাছাই করা হবে।

ওয়াসফিয়া নাজরিন ইতোমধ্যে এভারেষ্ট সহ বিশ্বের সাতটি মহাদেশের ছয়টির সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গে উঠেছেন। এমাসেই তার ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ চূড়া কার্সটেনসজ পিরামিডে আরোহন করার কথা রয়েছে।

‘সেভেন সামিট’ বা সাত মহাদেশের সাত সর্বোচ্চ পর্বত চূড়ায় আরোহনের চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান ওয়াসফিয়া নাজরিন। তিনি হচ্ছেন দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী যিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেষ্টের চূড়ায় উঠেন।

sheershamedia_911ওয়াসফিয়ার জন্ম ঢাকায়, জন্ম: ২৭ অক্টোবর, ১৯৮২ । দাদার বাড়ি ফেনী জেলায়। এরপর তার পরিবার যান খুলনায়। পাঁচ বছর বয়সে চলে যান চট্টগ্রামে। সেখানেই পাহাড়ের সঙ্গে তার সখ্যতা শুরু

হয়। বাংলাদেশী এই নারী ২০১২ সালের ২৬ মে শনিবার সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেষ্টের চুড়ায়  (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট উঁচু) আরোহন করেন।

ওয়াসফিয়া ঢাকার স্কলাসটিকা স্কুল থেকে ও এবং এ লেভেল সম্পন্ন করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় এগনেস স্কট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। তাঁর বিষয় ছিল সামাজিক মনোবিজ্ঞান ও স্টুডিওআর্ট। এরপর স্কটল্যান্ডে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। ছাত্রজীবনে তিনি যুদ্ধবিরোধী এবং মানবতার পক্ষে বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে সক্রিয় আন্দোলনকর্মী ছিলেন। তিনি উন্নয়নকর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন।

এই প্রতিবেদন Like & Share করুন।