ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৫৭ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২৪শে মে ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

নৌবাহিনীর জাহাজ ওসমানকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড পুরস্কার প্রদান করলেন – প্রধানমন্ত্রী

শীর্ষ মিডিয়া ১১ অক্টোবর ঃ   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ (বানৌজা) ওসমানকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড পুরস্কার প্রদান করেছেন। নৌবাহিনীর এ জাহাজটি দীর্ঘ ২৫ বছর দেশে-বিদেশে যে অসামান্য অবদান রেখেছে তারই স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এ পুরস্কার প্রদান করলেন ।
বানৌজা ওসমান লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে চার বছর নিয়োজিত থেকে দেশের জন্য অসামান্য সম্মান ও গৌরব বয়ে এনে সম্প্রতি বাংলাদেশে ফিরেছে।
চট্টগ্রামে বানৌজা ওসমানকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বানৌজা ওসমান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অবস্থান আরেকটি নতুন ধাপে উন্নীত করলো। দিনটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীসহ গোটা জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের।
বহুমুখী নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধ জাহাজ বানৌজা ওসমান ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখন্ডতা রক্ষায় ব্যাপক অবদান রেখেছে জাহাজটি। এটি দেশে ও বিদেশে ৫ শতাধিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে এবং এতে নৌবাহিনীর ৪৪৫ জন কর্মকর্তা ও নাবিক প্রশিক্ষণ নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে এসে পৌঁছানোর পর নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এম ফরিদ হাবিব, এনডিসি, পিএসসি, তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এ সময় নৌবাহিনীর একটি চৌকষ দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান, স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ, কূটনীতিকগণ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স¥রণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি ১৯৭৪ সালে বানৌজা ঈসাখানকে প্রথম ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অগ্রযাত্রার স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।’
তিনি বলেন, জাতির পিতা সমুদ্র পরিবেষ্টিত বাংলাদেশের জলসীমা এবং তার স¤পদ রক্ষার জন্য একটি আধুনিক নৌবাহিনী গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ভারত থেকে দুটি পেট্রোল ক্রাফট “পদ¥া ও পলাশ” নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে নৌবাহিনীর ঘাঁটিসমূহ একযোগে কমিশন করেন। সেদিনের ভাষণে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর লক্ষ্য তুলে ধরে বলেছিলেন, ‘ভূরাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার জন্য একটি আধুনিক নৌবাহিনী গঠন করতে হবে’।