Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:০৫ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

বনশ্রীতে দুই শিশু সন্তান হত্যায় ‘মা’ জড়িত : র‌্যাব

রামপুরার বনশ্রীর দুই শিশু বোন নুসরাত জাহান অরুনী (১২) ও ভাই আলভী আমানকে (৬) তাদের মা মাহফুজা মালেক জেসমিন হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান, দুই শিশুর মা জেসমিন পরকীয়া, মানসিক অবসাদ ও জায়গাজমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার দুই সন্তানকে হত্যা করেন। সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় নিজ বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় জামালপুর শহরের নতুন হাইস্কুল মোড় এলাকার একটি বাসা থেকে মৃত্যুর ঘটনায় মৃত্যুর শিকার দুই শিশুর মা জেসমিন ও বাবা আমান উল্লাহ এবং খালা মিলিকে আটক করে র‌্যাব।গত সোমবার বিকালে বনশ্রীতে নিজেদের বাসায় দুই শিশু নুসরাত আমান অরণী (১৪) এবং তার ভাই আলভী আমানকে (৬) বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে আনা খাবার খেয়ে শিশু দুটির মৃত্যুর সন্দেহের কথা পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হলেও পরদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তে মেলে হত্যাকাণ্ডের আলামত। এরপর বুধবার জামালপুর থেকে শিশু দুটির বাবা, মা ও খালাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় নিয়ে আসে র‌্যাব। তবে সংবাদ সম্মেলনে মায়ের পরকীয়ার বিষয়ে এখনও আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি বলে জানায় র‌্যাব।

সংবাদ সম্মেলন

বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানিয়েছিলেন, ওই দুই শিশুর মা তাদের হত্যা করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, মা জেসমিন পারিবারিক সংকট, মানসিক অবসাদ ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার দুই সন্তানকে হত্যা করেন। সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় নিজ বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় ওড়না পেছিয়ে তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, ‌’শিশু দুটির মায়ের পরকীয়ার বিষয়ে এখনও আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি, তবে এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’তিনি বলেন, মা মাহফুজা মালেক জেসমিন পরিকল্পিতভাবে সন্তানদের হত্যার কথা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।শিশু দুটির বাবা ব্যবসায়ী আমান উল্লাহ এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জানতো কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মুফতি মাহমুদ জানান, ‘আমরা এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নই। তবে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় সন্তানদের মৃত্যু হয়েছে শিশুদের বাবা এবং পরিবারের অন্য লোকেরা এমনটিই ধরে নিয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তারপরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’