ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:২৬ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

নেটিং সুবিধা চালু। হাউস-মার্চেন্ট ব্যাংকে আইপিও জমা নিবে

বিনিয়োগকারীদের জন্য আগামী ১ এপ্রিল থেকে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকে আইপিওর আবেদন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা আগের নিয়মে আবেদন করতে পারবেন। এর ফলে ব্যাংকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আর আইপিওর আবেদন করতে হবে না দেশি বিনিয়োগকারীদের।

আজ বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ২০১৪ সালের শেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সভায় নেটিং–সুবিধাও চালু করা হয়েছে।

বিএসইসি সূত্র জানায়, বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) নির্ধারিত ব্যাংকের পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকে আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া হয়। এর আগে শুধু ব্যাংকে আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া হতো। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আইপিওর টাকা জমা দিতে হতো। সংশ্লিষ্টদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিনিয়োগারীদের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকে আইপিওর আবেদনের উদ্যোগ নেয় বিএসইসি।

এরই ধারাবাহিকতায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকের পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকে আইপিওর আবেদন নেওয়া শুরু হয়।

দুই স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, পাইলট প্রকল্পের অধীনে ডিএসইর ১৭৪টি ও সিএসইর ৭৩টি ব্রোকারেজ হাউসে আইপিওর আবেদন ও চাঁদা জমা নেওয়া হয়। বাধ্যতামূলক করা হলে সব কটি ব্রোকার হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংককে এ নিয়ম পরিপালন করতে হবে।

এ দিকে বিএসইসির সভা শেষে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নেটিং–সংক্রান্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে কমিশন। বিষয়টি উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার লেনদেনে প্রযোজ্য হবে। এর ফলে এ, বি, জি ও এন ক্যাটাগরির একই স্ক্রিপটে নেটিং করা যাবে অর্থাৎ একই দিনে একই শেয়ার কেনা-বেচা করা যাবে।

এ ছাড়া সভায় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের মূলধন বৃদ্ধি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের নন-কনভার্টিবল সাবোর্ডিনেটেড বন্ড ও এক্সিম ব্যাংকের মুদারাবা সাবোর্ডিনেটেড বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।