Press "Enter" to skip to content

নুসরাত হত্যার বিচার শিগগিরই শুরু : এটর্নি জেনারেল

এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সমগ্র জাতির দাবি। অতিশিগগিরই আসামিদের বিচারও শুরু হয়ে যাবে।

আজ মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্টের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এটর্নি জেনারেল বলেন, সমগ্র জাতি নুসরাত হত্যা মামলার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছে। নুসরাত হত্যার ব্যাপারে ধর্ম-বর্ণ-বয়স-পেশা নির্বিশেষে সকলেই আসামিদের দৃষ্টাস্তমূলক শাস্তি দাবি করছে। সরকারও এই ব্যাপারে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অতি অল্প সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করেছে। আমি আশা করি, অতিশিগগিরই আসামিদের বিচারও শুরু হয়ে যাবে।

চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাতকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল নুসরাতকে কৌশলে ওই মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নেয় অধ্যক্ষের সহযোগীরা। সেখানে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় মারা যান নুসরাত। এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই মামলা করেন।

এদিকে নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় মোট ১৬ জনকে আসামি করে আদালতে জমা দেয়ার জন্য অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অভিযোগপত্রে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলাকে হত্যার হুকুমদাতা হিসেবে আসামি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার ধানমন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের প্রধান (ডিআইজি) বনজ কুমার মজুমদার এ কথা জানান। অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়ার আগে পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কাল বুধবার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নুসরাতকে সরাসরি পুড়িয়ে মারায় অংশ নেন পাঁচজন। এ ছাড়া এই হত্যার ঘটনায় বিভিন্নভাবে যাঁরা জড়িত, তাঁদের আসামি করা হয়েছে। মোট আসামির সংখ্যা ১৬। এর মধ্যে স্থানীয় দুই নেতা রুহুল আমীন ও মাকসুদ আলমকেও আসামি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বনজ কুমার বলেন, তারা আশা করেন, আসামিরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন। অভিযোগপত্রেও তারা সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন।

শেয়ার অপশন:
Don`t copy text!