ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:১৬ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক

নিহত ১৪ পুলিশ পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান-শ্রদ্ধার সাথে তাদের অবদানকে স্মরণ করি: আইজিপি

সম্প্রতি কর্তব্যরত অবস্থায় দুর্বৃত্তদের আক্রমণ, সড়ক দুর্ঘটনা ও অন্যান্য কারণে নিহত ১৪ জন পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে মোট ৬১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম সোমবার পিপিএম দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক অনুদান এবং শোকর্বাতা তুলে দেন। এসব পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গকে আর্থিক অনুদান ছাড়াও ভবিষ্যতে সরকারি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও বিধি মোতাবেক দেয়া হবে।
আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, নিহত পুলিশ সদস্যরা জননিরাপত্তা বিধানকালে চরম কর্তব্য নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন। তারা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশ পুলিশ শ্রদ্ধার সাথে তাদের অসামান্য অবদানকে স্মরণ করে।
তিনি আরো বলেন, তারা দেশের জনগণের জন্য যে আত্মত্যাগ করেছেন তা অত্যন্ত সম্মান ও গৌরবের। তাই আপনারা নিজেদের কখনো একা ভাববেন না। বাংলাদেশ পুলিশ সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীপুর জেলার কনস্টবল মোঃ সফিকুল ইসলামের স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগমকে ৩ লাখ টাকা, নীলফামারী জেলার কনস্টবল মোঃ শামসুল আলমের স্ত্রী মোছাঃ আছিমা বেগমকে ৩ লাখ টাকা, নীলফামারী জেলার কনস্টবল মোঃ মাইদুল ইসলামের স্ত্রী রেখা পারভীনকে ৩ লাখ টাকা, নীলফামারী জেলার কনস্টবল মোঃ শরিফুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ রুজিনা বেগমকে ৩ লাখ টাকা, নীলফামারী জেলার কনস্টবল মোঃ ফারুক হোসেনের প্রথম স্ত্রী মোছাঃ হিরন বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছাঃ ফাতেমা খাতুন প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে চার লাখ টাকা, হাইওয়ে পুলিশ মাদারীপুর ফরিদপুর কনস্টবল মোঃ জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ সানজিদা বেগমকে ৩ লাখ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার কনস্টবল মীর আহম্মদ শরীফের পিতা মোঃ আবুল হাসেমকে ৩ লাখ, এসবির সহকারী পুলিশ সুপার নাফিজ ইমতিয়াজের পিতা মোঃ মনিমুল হককে ৮ লাখ ও স্ত্রী ডা. তাসনিম জাহান রাপ্তিকে ৩ লাখ টাকা, ডিএমপির কনস্টবল মোঃ আব্দুল আজিজের স্ত্রী মোছাঃ লাভলী আক্তারকে ৫ লাখ, নরসিংদী জেলার কনস্টবল মোঃ আব্দুল সাত্তারের স্ত্রী মোছাঃ মাহফুজা আক্তার রেবাকে ৩ লাখ টাকা, পাবনা জেলার এটিএসআই মোঃ সুজাউল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ নাছিমা আক্তারকে ৫ লাখ টাকা, ডিএমপির এসআই মোঃ আব্দুল মালেকের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারকে ৫ লাখ টাকা, ডিএমপির মোঃ ইব্রাহিম মোল্লার স্ত্রী মোছাঃ খাইরুন নেছাকে ৫ লাখ টাকা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-১ এর কনস্টবল মোঃ মুকুল হোসেনের পিতা মোঃ সহিদুল ইসলামকে ৫ লাখ টাকাসহ মোট ৬১ লাখ টাকা প্রদান করা হয়।
এসময় অতিরিক্ত আইজিপি ড. মোঃ জাবেদ পাটোয়ারী, অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মোঃ মইনুর রহমান চৌধুরী, অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ ও উন্নয়ন) মোঃ আবুল কাশেম, ডিআইজি (অর্থ) মিলি বিশ্বাস, ট্যুরিস্ট পুলিশের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুস সালাম, ডিআইজি (এইচআর) মোঃ আতিকুল ইসলাম, এআইজি (কল্যাণ) মোহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।