ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:১৪ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

বিএনপি
বিএনপি

‘নির্বাচন বাতিলের দাবি বিএনপির নতুবা পরবর্তী ধাপে বর্জনের ইঙ্গিত’

‘ইউপি নির্বাচন চলাকালে কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে সিল মারাসহ বিভিন্ন স্থানে যেসব অনিয়ম হয়েছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বিএনপি নির্বাচনে থাকবে কিনা তা নতুন করে চিন্তা করবে বলে জানিয়েছেন, দলটির যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান। তিনি সিইসিকে প্রথম দুই ধাপের নির্বাচন বাতিলেরও  দাবি জানান নতুবা সামনের চার ধাপের নির্বাচন বর্জনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, গত ২২ মার্চের প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন ও আজকের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। এমন চলতে থাকলে আমরা সামনে যে চার ধাপের নির্বাচন আছে, তা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিতো বাধ্য হবো

সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতে নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ করেছেন জানিয়ে মো: শাহজাহান বলেন, আমাদের অভিযোগের জবাবে সিইসি বলেছেন, সামনের নির্বাচনগুলো আরও সুন্দর হবে। কিন্তু আমরা বলেছি, আপনি আগেও এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু রক্ষা করতে পারেননি। কাজেই এই দুই ধাপের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোট করুন। অথবা তৃতীয় ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করুন।

ভোটগ্রহণ শেষেই বিএনপির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করে। বৈঠক শেষে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিএনপির প্রতিনিধিরা। প্রতিনিধি দলে মো: শাহজাহান ছাড়াও ছিলেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন (অব.) সুজাউদ্দীন ও সহ-প্রচার সম্পাদক ইমরান সালেহ প্রিন্স।

মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ভোটের আগের রাত ১২টার পর থেকেই সিল মারা শুরু হয়। শুধু মানুষের রক্ত ঝরে, প্রাণ যায়। এ নির্বাচনের মানে কী?
তিনি বলেন, এ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ব্যাপক অ্যাকশন নিতে হবে। কেবল একজন এসপিকে ভৎর্সনা করলে হবে না।

বিএনপির এ নেতা বলেন, সিইসির ক্ষমতা যে আছে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তার ভূমিকা দেখি না। প্রশাসন, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের কাছে তিনি অসহায়। কারণ তারা সবাই একাট্টা হয়ে কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন কোনো সফলতা দেখাতে পারেনি। তারা ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে এসে তাদের সুযোগ করে দিয়েছিলাম গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টির। কিন্তু সরকার ও ইসি সে সুযোগ গ্রহণ করেনি। তাই গত দু‘টো নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় করেন। আগামী যে নির্বাচন আছে, সেটা সুষ্ঠুভাবে করেন। এর উপর নির্ভর করবে সামনের ধাপগুলোতে আমরা থাকবো কী থাকবো না।