ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:১৪ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

নির্বাচনের সময় এলে শুধুমাত্র তখনই সংলাপ

যখন নির্বাচন হবে শুধুমাত্র তখনই সংলাপ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য বিএনপিকে আরো চার বছর অপেক্ষা করতে হবে। মধ্যবর্তী নির্বাচন দেওয়ার বিষয়ে কখনই আলোচনা হয়নি এবং সংলাপের কোন সম্ভাবনা নেই।শনিবার বেলা ১১টায় ঢকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি এ কথা বলেন।

ডিআরইউর সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনের সঞ্চালনায় বাণিজ্যমন্ত্রী এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত তারানকো ফার্নান্দেজের উদ্যোগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সাথে সংলাপ হয়েছিল। তখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, এটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন। এই নির্বাচন শেষে দ্রুত সময়ে আরো একটি নির্বাচন দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে তোফায়েল বলেন, আমিও সে বৈঠকে ছিলাম। মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিষয়ে কখনই আলোচনা হয়নি।

আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের এই নেতা আরো বলেন, সংলাপে তখন বলা হয়েছিল বিএনপি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তাহলে নির্বাচনের তারিখ পেছানো যেতে পারে। সে সময় আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা ও বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়ার বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, অনেক সময়, অনেক কথা বলা হয়।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে দেশে নৈতিকতার প্রশ্ন আছে, তবে নির্বাচন হয়েছে। এই সরকার তার মেয়াদও শেষ করবে। নির্বাচন না হলে সেনাবাহিনী ক্ষমতায় চলে আসত। এই নির্বাচন না হওয়ার কোন বিকল্প ছিল না। সাংবিধানিক দায় ছিল। এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা দরকার ছিল।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সাত দফা প্রস্তাবের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সংলাপের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই। এখন এমন কোন কারণ নেই যে, মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে হবে। এই সরকার তার মেয়াদ পূরণ করবে। এই সরকার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক দিয়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

বিএনপির কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি গাজীপুরে ছাত্রলীগকেই মোকাবেলা করতে পারেনি তারা কিভাবে আন্দোলন করবে। তাদের উচিত হবে সারাদেশে সফর করে তাদের দাবি জনপ্রিয় করে তোলা। জনমত তৈরি করা।

সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সরকার তার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দেশে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র র্নিমাণ, এলএনজি টার্মিনাল, রুপপুর পারমানবিক কেন্দ্র, পদ্মা সেতুসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার এবং তা শেষ করবে।