ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:০৬ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

নিজাম হাজারী
হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চের বিচারক মো: এমদাদুল হক ও এফ আর এম নাজমুল আহসান এ রায় দেন।

নিজামের এমপি পদ নিয়ে বিভক্ত রায়

ফেনী-২ আসনের সরকার দলীয় এমপি নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকা নিয়ে বিভক্ত রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার দুপুরে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চের বিচারক মো: এমদাদুল হক ও এফ আর এম নাজমুল আহসান এ রায় দেন।

এক বিচারপতি রায় দেন তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে। তবে অন্য বিচারপতি তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।

তিনি নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকার পক্ষে মত দেন।

২০১৪ সালের ৮ জুন নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ  এ রায় দেয়া হলো।

উল্লেখ্য, ‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সংসদ’ শিরোনামে ২০১৪ সালের ১০ মে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনটি যুক্ত করে নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন ফেনী জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া।

রিটে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে।

সে হিসেবে নিজাম হাজারী ২০১৫ সালের আগে সংসদ সদস্য হতে পারেন না। অথচ তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়েছেন।

প্রথমত, অস্ত্র মামলায় নিজাম হাজারীর কারাদণ্ডের যে সাজা হয়েছিল, তাতে তিনি কোনো রেয়াত পেয়েছিলেন কি না। দ্বিতীয়ত, সাজা রেয়াত করা হয়ে থাকলে ঠিক কতদিনের জন্য তা করা হয়েছিল। তৃতীয়ত, সাজা ভোগ ও রেয়াত করা সাজার একটি পূর্ণাঙ্গ হিসাব দিতে হবে। সে সঙ্গে সাজা রেয়াতের সিদ্ধান্ত-সংশ্লিষ্ট নথিপত্র এই হিসাবের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।