Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:০৭ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ফাইল ফটো

নিজস্ব খরচে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা করাতে চান ভাই

পরিবারের খরচে ইউনাইটেড হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন তার ভাই শামীম ইস্কানদার।

মঙ্গলবার তিন সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে এসে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছে। তবে সচিবালয়ে শামীম ইস্কানদার আসেননি।

আবেদনে শামীম ইস্কানদার বলেছেন, আমার বড় বোন নাজিমউদ্দীন রোডের কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তিনি বিভিন্ন অসুখে ভুগছেন। কিন্তু কারাগারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন না। ফলে দীর্ঘ কারাবাসে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। খালেদা জিয়ার চার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কারাগারে স্বাস্থ্য-পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, তার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছিল। এ ধরনের বিষয় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির পূর্বাভাস বহন করছে।

এদিকে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে আজ চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে আনার কথা থাকলে আনা হয়নি।

কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির জানিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। কিন্তু তিনি বিএসএমএমইউতে যাবেন না বলে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তাই আজ তাকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়া গুলশানের বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

এর আগে সকালে বিএসএমএমইউর পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ-আল-হারুন জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়াকে বেলা ১১টায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে আনা হবে।

কারা মহাপরিদর্শক নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের মহিলা ওয়ার্ডে গিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলেন, তিনি চাইলে তাকে চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউতে নেয়া হবে।

তবে ওই সময় খালেদা জিয়া জানান, তিনি এর আগেও বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। এখন আর তিনি এ হাসপাতালে যেতে চান না। তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার আগ্রহের কথা বলেন।

বিএনপির পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, খালেদা জিয়া বিএসএমইউতে চিকিৎসার বিষয়ে আস্থাশীল নন। তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চান।

তবে সোমবারই কারা মহাপরিদর্শক ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, জেল কোড অনুযায়ী সরকারি অর্থ খরচ করে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ নেই।