ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:৪৪ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

আছাদুজ্জামান মিয়া
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ফাইল ফটো

‘নারীর প্রতি সহিংসতা-শ্লীলতাহানি বরদাশত করা হবে না’

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, নারীর প্রতি কোন ধরনের সহিংসতা ও শ্লীলতাহানি কোন ভাবেই বরদাশত করা হবে না।

তিনি আজ বুধবার তেজগাঁওস্থ ডিএমপি’র ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ও র্নিমূলে সমন্বিত কার্যক্রম বিষয়ক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন।

ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এই কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডিএমপি কমিশনার বলেন,নারী ও পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান জেন্ডার বৈষম্যই হলো এ সহিংসতার কারণ, আর এর মূলে রয়েছে মানসিক সংকীর্ণতা।

তিনি বলেন,আমরা যদি এ মানসিকতা বদলে ফেলি তাহলে নারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব’।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানমের সভাপতিত্বে কর্মশালার শুরুতেই উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিন তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ও নির্মূলে বাংলাদেশ পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা সারা দেশ থেকে নির্যাতিত ও অসহায় নারী-শিশুদের খোজখবর নিয়ে তাদের কে যথাযথ আইনি সহায়তা, আশ্রয় ও কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে তাদের প্রকৃত অভিভাবকদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া এবং তাদেরকে নতুন ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে প্রেরণা যুগিয়ে যাচ্ছি।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম, ডিএমপি কমিশনারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে গুণগত পরিবর্তন আনতে আমরা আইন-শৃ্খংলা বাহিনীর সাথে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত আছি। আমরা চাই পুলিশ বাহিনী নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এগিয়ে আসলে সত্যিকার অর্থেই আমরা নারীর প্রতি সকল সহিংসতা, অত্যাচার ও পারিবারিক নির্যাতন বন্ধ করতে পারব।

এসময় আয়েশা খানম পরিবারের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন-পরিবারই হোক নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের দূর্গ, কারণ পরিবারে নির্যাতন বন্ধ হলে সমাজেও নারীর প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধ হবে।

কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন- ডিএমপি’র যুগ্ম পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদের সদস্য এ্যাডভোকেট আফিয়া আক্তার, এ্যাড. মাকসুদা আক্তার ও সিনিয়র আইনজীবি দীপ্তি শিকদার।