ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:২২ ঢাকা, শুক্রবার  ২২শে জুন ২০১৮ ইং

নারায়ণগঞ্জের ৭
শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন মামলার রায় ১৬ জানুয়ারি

নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের দু’টি মামলায় আসামীপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়েছে। টানা ছয় দিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত আগামী ১৬ জানুয়ারি মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে ষষ্ঠ দিনের মতো যুক্তিতর্ক শুরু হয়।

আজ র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তা এম এম রানার আইনজীবী ফরহাদ আব্বাস আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। গতকাল মঙ্গলবারও এম এম রানার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। ওদিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অসমাপ্ত ছিলো। পরে র‌্যাবের এএসআই বজলুর রহমান ও সৈনিক নুরুজ্জামান এর পক্ষের আইনজীবিরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত আগামী ১৬ জানুয়ারি মামলার রায়ের দিন ধার্য করেন।

এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৩ আসামীকে আদালতে হাজির করা হয়।

দু’মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ৩৫ আসামীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বর্তমানে র‌্যাবের ৮ সদস্যসহ ১২ জন পলাতক রয়েছে।

মামলার আসামীপক্ষের আইনজীবি এডভোকেট সুলতানুজ্জামান সকল আসামীর বেকসুর খালাস দাবি করে বলেন, এ মামলায় ১০৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলেও র‌্যাব-১১ এর সাবেক সিও তারেক সাঈদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

বাদিপক্ষের আইনজীবি এডভোকেট শাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, নূর হোসেনের পরিকল্পনায় ও আর্থিক সহযোগিতায় এ হত্যাকান্ড ঘটে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবি চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।