ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫৭ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মাহমুদুর রহমান মান্না।
মাহমুদুর রহমান মান্না।

নাগরিকদের রাজপথে নেমে আসার আহ্বান

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

দেশে চলমান সহিংসতা বন্ধ ও সংলাপের দাবিতে নাগরিকদের রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, দুই জোটকে সহিংসতা বন্ধ করে সমঝোতায় আসতে বাধ্য করতে হবে। এ জন্য নাগরিকদের ঘর থেকে বের হয়ে আসতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে অনশন, অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে হবে। বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নাগরিক ছাত্রঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। জাতীয় সংলাপের উদ্যোগ, সমঝোতা ও শান্তি নিশ্চিতের দাবিতে নাগরিক ছাত্রঐক্য এ কর্মসূচি পালন করে। দেশে গণতান্ত্রিক মৌলিক অধিকার হরণ হচ্ছে দাবি করে মান্না বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক ঐক্যকে একটা সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। তীব্র ঘৃণার সঙ্গে বলছি, একটা সমাবেশ করতে আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। বর্তমান সঙ্কটকে রাজনৈতিক সঙ্কট উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মান্না বলেন, রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। সহিংসতার বিরুদ্ধে সরকারকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে হবে। তাহলে আমরা সরকারের সঙ্গে আছি। কিন্তু বাজি দিয়ে এবং দোষারোপ করে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। বরং সমস্যা দিন দিন বাড়বে। তাই সমস্যা সমাধানে জাতীয় সংলাপের ডাক দিন। তা নাহলে আপনি ইতিহাসের কাছে দায়ী থাকবেন। মান্না আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়মুক্তি দিতে চাইলেন। তার মন্ত্রীরা পর পর দুই সপ্তাহ সময় নিয়েছেন। তারা আর কতো সময় নেবেন। শুধু বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। এভাবে জীবনসংহারি কোন আন্দোলন চলতে পারে না। সঙ্কট নিরসনে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে মান্না বলেন, সরকারের পক্ষ মনে করছেন, এ অবস্থায় তাদের পরীক্ষা নিতেই হবে এবং স্বৈরাচারী আচরণের মাধ্যমে বিরোধী দলকে নিঃশেষ করতে হবে। অপরদিকে বিরোধী দল মনে করছেন, পরীক্ষার সময় হরতাল দিয়ে বেকায়দায় ফেলে সরকারের পতন ঘটাবেন। দুই দলই আজ শিক্ষা ব্যবস্থাকে জিম্মি করে রাজনীতি শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, দেশে যে জ্বালাও-পোড়াও চলছে, এর দায় কেউ নিচ্ছে না। সাবেক এই ছাত্রনেতা আরও বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে বিশ্বাস করে, তাই একে অপরের বিপদে ছুটে যায়। কিন্তু দেশের রাজনীতি সাংঘর্ষিক হয়ে পড়েছে। একে অপরের শত্রুতে পরিণত হয়েছে। নাগরিক ছাত্রঐক্যের কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে ডাকসু’র সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ বলেন, সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলেই এগিয়ে যেতে হবে। এই জন্য কারো রক্ত চক্ষুকে ভয় পেলে চলবে না। পেট্রলবোমা মেরে কখনও আন্দোলন হতে পারে না। তাই গণজাগরণ সৃষ্টির মাধ্যমেই এই দখলদার সরকারকে হঠাতে হবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ছাত্রঐক্যের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান, মুহিত হাসান তারিক, মেহেদী হাসান সবুজ, মেহেদী হাসান ও রবিউল ইসলাম রুবেল।