ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:২৬ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

না’গঞ্জে ট্রেন-লেগুনার সংঘর্ষে নিহত ৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে

নারায়ণগঞ্জের পাগলায় ট্রেন-লেগুনার সংঘর্ষে নিহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। ওই ঘটনায় আহত হয়েছে আরো কমপক্ষে ৬ জন।
গতকাল সোমবার রাত পৌনে ১১টায় পাগলা এলাকার একটি অননুমোদিত রেলক্রসিংয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিনজন হলেন, ভোলার চরফ্যাশন নূরাবাদ এলাকার আব্দুল হকের পুত্র সিদ্দিকুর রহমান (৪৪)। ফতুল্লা এলাকার রবীন্দ্র দাসের পুত্র রঞ্জিত দাস (৩০), তিনি পেশায় দিনমজুর এবং যাত্রাবাড়ি এলাকার স্বর্ণ দোকানের কর্মচারী শাহজালাল (৩০)।
একজন নারী ও ১ জন পুরুষের লাশ এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সনাক্ত করা যায়নি।
আহতদের মধ্যে চায়না বেগমের (৩০) অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে চায়না বেগমের ছেলে সাকিব (১০), নূর আলম (২৫), মর্তুজা (৩২) এবং অবিনাশ (৩০) রয়েছে। নিহত এবং আহতরা সবাই লেগুনার যাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনটি রাত পৌনে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের পাগলা রেলস্টেশনে পৌছার আগেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। পাগলার রসূলপুর থেকে পোস্তাগোলাগামী যাত্রীবাহী লেগুনাটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় ট্রেনটি। ট্রেনের ধাক্কায় লেগুনাটি ছিটকে পাশের নিচু জমিতে গিয়ে পড়ে। ঘটনার সময় লেগুনাটিতে ১৪-১৫ জন যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা লেগুনার ৪ যাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
নারায়নগঞ্জ জিআরপির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ তাপস কুমার বড়ূয়া জানান, সনাক্ত হওয়া ৩টি লাশ বিনা ময়নাতদন্তেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অপর দুজনের লাশ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ এসে দুর্ঘটনা কবলিত লেগুনাটিকে ঘটনাস্থলে পাশের একটি নিচু জমিতে দেখতে পেয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কুদ্দুস মিয়া জানান, রেলক্রসিংটি অবৈধ। বাকি দুই নিহতের পরিচয় জানার চেষ্টা হচ্ছে।
কমলাপুর জিআরপির ওসি আব্দুল মজিদ জানান, এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।