Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:৪৩ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

“নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই মোবাইল অপারেটর পরিবর্তনের সুযোগ”

আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে মোবাইল গ্রাহকরা নম্বর অপরিবর্তিত রেখে মোবাইল অপারেটর পরিবর্তনের (এমএনপি) সুযোগ পাবে।
এমএনপি নীতিমালা এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) থেকে ইতোমধ্যেই অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আজ তার মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাবার পরই টেলিকম রেগুলেটর অকশনের মাধ্যমে এমএনপি অপারেটরের জন্য লাইসেন্স ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
তারানা হালিম বলেন, যে কোন মোবাইল ফোন গ্রাহক তার নম্বর অপরিবর্তিত রেখে এক মোবাইল ফোন অপারেটর থেকে অপর মোবাইল ফোন অপারেটরে চালু করতে পারবে। এ জন্য তাকে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা খরচ করতে হবে। গ্রাহক ৪০ দিনের জন্য এই সুযোগ পাবেন।
তারানা বলেন, এমএনপি মোবাইল শিল্পে সুস্থ্য প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করবে। অপারেটররা তাদের সেবার মান বৃদ্ধি করবে।
একজন অপারেটরকে ১৫ বছরের জন্য এমএনপি লাইসেন্স দেয়া হবে। বছরে তাকে বিশ লাখ টাকা ফি দিতে হবে। লাইসেন্সের দ্বিতীয় বছর থেকে সরকারের সাথে অপারেটরের ৫.৫ শতাংশ হারে শেয়ার থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী তারনা লাইসেন্স পাবার ক্রাইটেরিয়া সম্পর্কে বলেন, লাইসেন্স পাবার ক্ষেত্রে বিডে অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকারীকে বাংলাদেশী অথবা প্রবাসী বাংলাদেশী মালিকানার কোম্পানি হতে হবে। তবে বাংলাদেশী কোম্পানির অংশীদার ভিত্তিতে কোন বিদেশী কোম্পানি অকশনে অংশ নিতে পারবে। বিদেশী কোম্পানিটি সর্বোচ্চ ৫১ শতাংশ শেয়ারের মালিক হতে পারবে এবং কোম্পানিকে বিদেশী মুদ্রায় বিনিয়োগ করতে হবে। তারা বাংলাদেশের বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার কোন সুযোগ পাবে না।
বাংলাদেশে নিবন্ধনকৃত যে কোন মোবাইলের মালিক অথবা পারিচালক, অংশীদার বিনিয়োগকারী অথবা শেয়ার হোল্ডার অকশনে অংশ নিতে পারবেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ টেলিকম্যুনিকেশন রেগুলেটরী কমিশন (বিটিআরসি) এমএনপি অপারেটরের জন্য সকল ট্যারিফ নির্ধারণ করবে।
বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় ৭২টি দেশে এই সুবিধা রয়েছে।