ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৭:২২ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মনিরুল ইসলাম
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, ফাইল ফটো

‘নব্য জেএমবি নতুন করে হামলা চালাতে পারবে না’

হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নব্য জেএমবি’র সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে পড়েছে। তাদের পক্ষে নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালানো সম্ভব নয়।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর নিকুঞ্জ ও খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেফতারকৃত দুই নব্য জেএমবি সদস্য পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা প্রকাশ করেন।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডস্থ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসিইউ) প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

এসময় ডিএমপি’র উপ-কমিশনার (ডিসি) মিডিয়া মো: মাসুদুর রহমান, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- নাঈম আহমেদ ওরফে আনাস ওরফে আবু হামজা ওরফে আরিশা কুনিয়া ও আনোয়ার হোসেন। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০টি ডেটোনেটর (বিস্ফোরক) ও উগ্রবাদী মতাদর্শের কিছু বই উদ্ধার করা হয়।

সিটিটিসিইউ প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃতরা নব্য জেএমবির সক্রিয় সদস্য। এর মধ্যে নাঈম আহমেদ ওরফে আনাস ওরফে আবু হামজা ওরফে আরিশা কুনিয়া নামেও পরিচিত ছিল। সে ২০১৫ সালে বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেটসহ একটি বেসরকারী আইটি কোম্পানিতে একসঙ্গে চাকরি করতো এবং দুজন একই সঙ্গে নব্য জেএমবি’তে যোগ দেয়।

আনোয়ার সাভার হেমায়েতপুরে একটি মোটর গ্যারেজের মালিক। ২০১৫ সালে সে কথিত এক মাস্টারের মাধ্যমে দাওয়াত পায়। তার সঙ্গে নব্য জেমমবি’র সারোয়ার জাহান মানিক, রিপন, নোমান, আল-বাণী ও ডন’দের যোগাযোগ ছিল। নব্য জেএমবির সূরা সদস্যদের পরামর্শে গাড়ি হামলার জন্য সে তার গ্যারেজে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করে।

তিনি বলেন, হলি আর্টিজানের হামলার আগে ওই গাড়ি হামলার জন্য ড্রাইভিং এবং প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তবে হলি আর্টিজানের হামলার পর পুলিশ যে অভিযানগুলো চালিয়েছে এতে তারা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তাদের পক্ষে হামলা চালানো আর সম্ভব হয়নি। আনোয়ার নব্য জেএমবির সাভার অঞ্চলের প্রধান আশ্রয়দাতা ছিল। গ্যারেজে কাজ করার পাশাপাশি মাঝে মাঝে সে নব্য জেএমবির সাংগঠনিক কাজ করতো ।