Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:৫৪ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

নগর ভবনে কার পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি ?

Sayed Khokon

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র/ নগর পিতা জনাব সাঈদ খোকন ।

নতুন করে নয় দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন অনিয়ম ও দুর্নীতির আঁকড়ায় পরিণত হয়েছে । সেখানে কোন প্রকার আইন কানুনের তোঁয়াক্কা না করেই নিয়োগ / পদন্নোতি / টাইমস্কেল / পদ তৈরি / দরপত্রে অনিয়ম করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধানগন অনৈতিক ও বেআইনি সুযোগ সুবিধা ভোগ করে সরকারী কোটি কোটি টাকা অপচয় / অপব্যবহার / লুটপাট ও লুটপাটে সহযোগিতা করে জনগনের অর্থ ব্যাপক ভাবে ধ্বংস করছে/ করেছে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে।

বেশ কিছু সংখ্যক বিভাগীয় প্রধাণের অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র ডকুমেন্টস সমূহ অনুসন্ধান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর ভয়াবহ সব অনিয়ম ও দুর্নীতির দালিলিক প্রমানিত তথ্য মিলেছে , যা দেখে হতবাক হবে যে কেউ! কারন তাদের কার্যক্রমের ভয়াবহতা এমনি চাঞ্চল্যকর যা দেখে আইন কানুন আছে বলে মনে হয়না।

dcc logoঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা / কর্মচারীদের অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা প্রতিদিন লিখেও শেষ করা যাবেনা তবে, প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে অন্ততঃ বিভাগীয় প্রধানগণসহ অধীনস্থ কর্মচারীদের অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র পৃথক পৃথক ভাবে বিভাগ / দপ্তর অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশের মাধ্যমে মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী ও নব নির্বাচিত মেয়রের দৃষ্টি গোচরে নিয়ে আসাটা জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। সেহেতু, জনস্বার্থে সাহসিকতার সাথে সে দ্বায়িত্ব পালন করবে শীর্ষ মিডিয়া

dcc ansar 2

মোঃ আনসার আলী খান , প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত সচিব। যিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ সকল অপকর্মের নাটের গুরু।

নগর ভবনের বিশেষ করে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রধান প্রকৌশলী (বিগত) , প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা , প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা(বিগত) , প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা (বিগত), মহা ব্যবস্থাপক (পরিবহণ) এবং প্রকৌশল বিভাগের কতিপয় উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তা সংঘবদ্ব ভাবে বিভাগ অনুযায়ী অপকর্ম চালিয়ে আসছে/ আসছিল , যদি কখনো তাদের কারও ওপর কোন চাপ আসে তা সস্মি্লিত ভাবে গোপন বৈঠকে মোকাবেলা করে বিপদ মুক্ত থাকেন। এরা কৌশলগত ভাবে যিনিই প্রশাসক ছিলেন তাকে ম্যানেজ করেই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

তাদের অনিয়ম,অবৈধ সুযোগ গ্রহণ ও দুর্নীতির দালিলিক প্রমানাদি পর্যালোচনা করে যে কোন কারো মনে হতেই পারে এরা আইন কানুন কে তোয়াক্কা করে না কারনঃ এদের পিছনে শক্তিশালী পৃষ্ঠপোষক রয়েছেন , এমনকি এদের পক্ষে বে-আইনী অনেক কিছুই মন্ত্রণালয় থেকেও সুযোগ দিচ্ছে , যার প্রমান আমার হাতেই রয়েছে সুতরাং, এই শক্তিশালী গ্রুপ কে যেনতেন ভাবে কেউ কিছু করতে পারবে বলে অন্তত আমার মনে হয়না, এদের কে আইনের আওতায় আনতে হলে নব নিযুক্ত মেয়রকে কঠোর হতে হবে, প্রয়োজনে মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরী।

তবে ব্যতিক্রম যে নেই তা কিন্তু নয় নগর ভবনে কর্মরত সেনাবাহিনীর অফিসারগন সহ কিছু উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তার সুনাম ও সুখ্যাতি আছে।

অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বিগত সকল প্রশাসকগন সংঘবদ্ব দুর্নীতির হোতাদের বিরুদ্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। আশা করা যায় বর্তমান সৎ ও যোগ্য মেয়র সাহসিকতার সাথে নগর ভবনের বিরাজমান দীর্ঘ দিনের দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন এবং সফল হবেন।

সম্পাদকঃ মোঃ বজলুল করিম(সাব্বির)