ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৩২ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৪ই আগস্ট ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

ধর্মীয় লেবাসধারীদের সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে : ড. হাছান মাহমুদ

শীর্ষ মিডিয়া ১৩ অক্টোবর ঃ    আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি ধর্মীয় লেবাসধারীদের সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য দেশের মানুষের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি আজ সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বীরউত্তম খাজা নিজামুদ্দিন মিলনায়তনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ নামের একটি সংগঠন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্ব- দেশ ও জাতির উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ধর্মীয় লেবাসধারীদের সম্পর্কে দেশের মানুষকে সচেতন থাকতে হবে। কেননা, তারা ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতিতে ফায়দা হাসিলের জন্য সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টি করার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত থাকে।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সকল ধর্ম ও মতের মানুষের সংগঠন। এ সংগঠনের নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক পাকিস্তান ভেঙ্গে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।’
সংগঠনের উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক হাসিবুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, কৃষক লীগ নেতা এম এ করিম, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক ও শিক্ষক নেতা শাহজাহান আলম সাজু, নারীনেত্রী ফাতেমা জলিল সাথী, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক সুরুজ আলম সুরুজ প্রমুখ।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, কেউ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে আওয়ামী লীগ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কুন্ঠাবোধ করে না। আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সে কথা আবারো প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আরো প্রমাণিত হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে যে কেউর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন ধর্মভীরু ছিলেন তেমনি তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ধর্মভীরু।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষগণ ধর্ম প্রচারের জন্য এ দেশে আগমন করেছিলেন।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাছান বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে দু’বছরের বড় হলেও সাজগোজ দেখে মনে হয় তিনি (খালেদা জিয়া) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে ৩০ বছরের ছোট।
তিনি বলেন, বেগম জিয়া সকালে কোন মিটিং-মিছিলে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। তাকে বিকেলে অথবা রাতে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।
তিনি বলেন, ‘তাকে (খালেদা) সারা বছর ধর্মকর্ম পালন করতে দেখা না গেলেও নির্বাচনের সময় কড়া ধার্মিক হয়ে যান। ধর্মকে ব্যবহার করে জঙ্গিবাদের আশ্রয়ে যারা রাজনীতি করেন- তাদের সাথে তিনি জোট করেন।’
তিনি বলেন, আবার তার পাশে বেশ কয়েকজন নাস্তিককেও দেখা যায়। যারা তার বিভিন্ন বক্তব্য লিখে দেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে।
তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের গতিবেগ যাতে আরো বৃদ্ধি পায়, সেজন্য আমাদের সকলকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যেতে হবে।