ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:০৩ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

দেশে দেশে ইংরেজি বর্ষবরণ

ইংরেজি নতুন বছর শুরুর সঙ্গে সঙ্গে রাতের আকাশ আলোয় আলোয় বর্ণিল রূপ ধারণ করে। ফিজি, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া সহ বিশ্বের দেশে দেশে গত বছরের বিদায় লগ্ন ও নতুন বছরের সূচনালগ্নকে স্মরণীয় করতে ঢল নামে লাখ লাখ মানুষের। আতশবাজি আর আলোর কারসাজিতে রাতের আকাশ যেন ঝলসে ওঠে। বিশেষ করে সমুদ্র সৈকতে স্বল্প বসনে নারী-পুরুষের উদোম চলাফেরা নজরে পড়েছে অনেকের। কোথাও বা মদের নেশায় বুঁদ হয়েছে মানুষ। কনসার্টের তালে তালে তাদের দেহ দুলেছে। সিডনিতে সমবেত হয়েছিলেন অসংখ্য মানুষ। সিডনি হারবারে তো আতশবাজির সবচেয়ে বড় আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সাত টন আতশবাজি জ্বালানো হয়। সেখানে সমবেত হয় ১৬ লাখের মতো মানুষ। বেইজিংয়ে অলিম্পিক পার্কে নেমেছিল মানুষের ঢল। কেউই উৎসবের সবটুকু আনন্দ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করতে রাজি নন। সমুদ্র সৈকত সহ আকর্ষনীয় স্থানগুলোতে তাই আগেভাগেই নিজের ও সঙ্গীদের ভালো আসন নিশ্চিত করতে চলে যান তারা। যার যার মতো পছন্দমতো স্থানটি দখলে নিয়েছেন। ২০১৫ সালের প্রথম মুহূর্তটি উদযাপন করতে লাখো পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হন বিশ্বের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। সিডনির মিসেস ম্যাকোয়ারিজ পয়েন্ট, টারপেয়ান প্রেসিন্ট, সিডনি অপেরা হাউস, ম্যারি বুথের মতো স্থানগুলোতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ধারণক্ষমতা পূরণ হয়ে যাওয়ায় রাত নামার অনেক আগেই বন্ধ করে দেয়া হয় প্রবেশ পথগুলো।  এ খবর দিয়েছে দ্য অস্ট্রেলিয়ান। সিডনিতে রাত নয়টা থেকে শুরু হয় আতসবাজি। মধ্যরাতে হয় আরেক দফা। এবার সিডনির মধ্যরাতের আকাশে আলোর মোহনীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়। এতে ব্যবহার করা হয় ড্রোন।