ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৪৮ ঢাকা, শুক্রবার  ১৯শে অক্টোবর ২০১৮ ইং

“দেশের বন্যাকবলিত এলাকায় স্কুলে ক্লাস বন্ধ”

উত্তরবঙ্গ ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের বন্যা কবলিত জেলাগুলোতে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে রয়েছে বলে খবরে জানা যাচ্ছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার শেষের পথে। সামনেই আসছে ফাইনাল পরীক্ষার মৌসুম। ক্লাস বন্ধ থাকায় উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা।

মৌলভিবাজারের বড়লেখা উপজেলার হাল্লা সরকারি প্রাথমিক স্কুলটি বেশ লম্বা সময় ধরে তিন ফুট পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী বলছেন স্কুল থেকে টেবিল ও বেঞ্চ সরিয়ে নিতে হয়েছে।

ওই শিক্ষক বলছিলেন, তার স্কুলের শিক্ষকেরা নৌকা ভাড়া করে স্কুলে আসার চেষ্টা করছেন তবে রাস্তা ঘাটে পানি থাকায় শিক্ষার্থীরাই আসতে পারছেন না।

হাল্লা গ্রামের আব্দুল আজিজ বলছেন বন্যার কারনে তার তিন মেয়ের পড়ালেখা বন্ধ। সামনেই আসছে ফাইনাল পরীক্ষা। তিনি বলছেন, বাড়িতে বসে বড় মেয়েই পড়াচ্ছে ছোট মেয়ে দুটিকে।

এদিকে ইংলিশ মিডিয়ামগুলো বাদে বাকি সব স্কুলের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে শেষ হওয়ার পথে। সামনে আসছে প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা।

এই অবস্থায় বাড়িতে বসে পড়াশোনায় কতটা এগুনো যাবে সে নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মি আজিজ।

এবারের বন্যায় বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গ ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের আটটি জেলা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তার মধ্যে আবার সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত কুড়িগ্রাম জেলা।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলছেন, বন্যা তাদের জন্য প্রতি বছরের সমস্যা। তাই ওই জেলার স্কুলগুলো উঁচু করে বানানো খুব জরুরি।

বন্যা আক্রান্তু জেলাগুলোতে খবর নিয়ে জানা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলের তালিকা তৈরির কাজ সবে শুরু হয়েছে। পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এখোনো নেওয়া হয়নি। বিবিসি।