শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:৪০ ঢাকা, শনিবার  ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

দেশের কল্যাণে কাজ করতে জয়ের আহবান

মেধা ও শ্রম দিয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি বলেন, ছাত্রলীগের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেউ সন্ত্রাস করলে তা সহ্য করা হবে না। ভবিষ্যতের আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিতে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত হতে হবে।
সজীব ওয়াজেদ জয় আজ বৃহস্পতিবার গণভবনে ছাত্রলীগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ আহবান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের পরিচালনায় তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জয় বলেন, দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। কোনো ক্যাম্পাসে কেউ সন্ত্রাস করলে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেবেন। যারা সন্ত্রাস করবে তাদের সহ্য করা হবে না। আমরা যদি সৎ থাকি তবে চিন্তার কিছু নেই। কেউ সঠিক শিক্ষা নিলে তার দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি করার দরকার হয় না।
এ সময়ে তিনি ছাত্রলীগের ‘সেফ ক্যাম্পাস, ক্লিন ক্যাম্পাস’-স্লোগানকে সত্যিকার রূপ দিতে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, ছাত্রলীগের সুনাম ক্ষুণœ হয়, সংগঠনের নেতা-কর্মীদের এ ধরনের কোনো কাজ করা ঠিক হবে না। যখন দল ক্ষমতায় থাকে তখন অনেকে ছাত্রলীগ আর আওয়ামী লীগ হয়ে যায়। কিন্তু তারা দলে এসে নিজেদের দুর্নীতি ও লাভের জন্য আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাতে থাকে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল বলেই স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো এ দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছ। একশ্রেণীর মানুষ যারা কোনদিন বাংলাদেশ চায়নি, তারাও পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারে কান না দিতে তিনি নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো আমাদের মাঝে আছে। তারা ওই পাকিস্তানের পক্ষেই কাজ করে যাচ্ছে একথা উল্লেখ করে জয় বলেন, যারা বাংলাদেশ চায়নি, তারা দেশের ভালো কিভাবে চাইবে ?
প্রধানমন্ত্রীর ছেলে বলেন, অন্য সংগঠনের চেয়ে ছাত্রলীগই কিছু নিয়ম মেনে চলে। কোনো বৃদ্ধ ছাত্রের ছাত্রলীগ করার সুযোগ নেই। ছাত্রলীগের মেম্বার হতে হলে বয়সের একটা সীমা আছে।
সজিব ওয়াজেদ বলেন, ছোটবেলা থেকে আমার মা সবসময় বলতেন যে- যেখানেই থাকো, যাই করো, মনে রাখবে যে, তুমি মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি। তোমার কাজের মাধ্যমে এ নামের মর্যাদা সবসময় সমুন্নত রাখবে।
তিনি বলেন, মা আমাকে আরেকটি কথা বলতেন যে, পড়ালেখা করো, নিজের পায়ে দাঁড়াও। শিক্ষা থাকলে তোমাকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। শিক্ষা থাকলে তোমার কোনদিন অভাব হবে না- কারো কাছে হাত পাততে হবে না। মায়ের এ আদেশ শিরোধার্য মেনে আমি শিক্ষা গ্রহণ করেছি। নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আমাদের অর্থনীতির গতি বাড়ছে, আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে। আমাদের দেশে এখন মেধা ও শ্রমের মাধ্যমে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর অনেক সুযোগ ও ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে। এখানে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি করার কোন প্রয়োজন হয় না। সৎ ও সুন্দরভাবে জীবন ধারণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে।

এই প্রতিবেদন Like & Share করুন।