ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:০৩ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) নব-নির্বাচিত কমিটির নেতাদের সাথে বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী

দেশীয় পণ্যের বাজার প্রসারে শীতের শুরুতেই শিল্পমেলা হবে : শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, আগামী শীতের শুরুতেই সপ্তাহব্যাপী জাতীয় শিল্পমেলার আয়োজন করা হবে। শিল্পখাতে অর্জিত অগ্রগতি তুলে ধরতেই এ মেলা করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে দেশীয় পণ্যের বাজার প্রসারের পাশাপাশি শিল্পখাতে গুণগত পরিবর্তন আসবে।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) নব-নির্বাচিত কমিটির নেতাদের সাথে বৈঠককালে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। আজ শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, বিসিআই’র সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সিনিয়র সহ-সভাপতি রঞ্জন চৌধুরী, পরিচালক দেলোয়ার হোসেন রাজা এবং প্রীতি চক্রবর্তী, রেহানা বেগম, আবুল কালাম ভূঁইয়াসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে জাতীয় শিল্পমেলা আয়োজনের প্রস্তাব করে বিসিআই’র নেতারা বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কল-কারখানার অব্যবহৃত জমিতে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে নতুন শিল্প স্থাপন এবং শিল্পবান্ধব নতুন মূসক আইন করতে বেশ কিছু সংশোধনের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। নতুন মূসক আইন শিল্পবান্ধব করতে সংশোধনের প্রস্তাবগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

শিল্পমন্ত্রী এর আগে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাথে বৈঠক করেন। মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে এ সংগঠনের নেতারা প্লাস্টিক শিল্পখাতে বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পশুখাদ্য প্যাকেজিংয়ে পাটের ব্যাগ ব্যবহার হলে ফাংগাসের মাধ্যমে গুণগতমান নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য তারা এ জাতীয় পণ্যে পাটের পরিবর্তে প্লাস্টিক প্যাকেজিং ব্যবহারের সুযোগ চান। একই সাথে তারা উন্নত বিশ্বের আদলে একটি যুগোপযোগী প্যাকেজিং আইন প্রণয়নের দাবি জানান।

এ সময় অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেন, সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত কেমিক্যাল ও দাহ্য পদার্থ বিরোধী অভিযানের ফলে প্লাস্টিক ব্যবসায়ী এবং শিল্প উদ্যোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা দ্রুত প্লাস্টিক শিল্পনগরী প্রকল্প সমাপ্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের স্থানাস্তরের সুযোগ করে দিতে শিল্পমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর আগ পর্যন্ত তারা কোনো ধরণের হয়রানি ছাড়াই অনুমোদিত প্লাস্টিক পণ্যের কাঁচামাল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ চান।

শিল্পমন্ত্রী এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, শিল্প মন্ত্রণালয়, এফবিসিসিআই, প্লাস্টিক ও কেমিক্যাল শিল্প উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে একটি যৌথ বৈঠকের আয়োজন করা হবে।