ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৪৫ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে দেশে অস্থিরতা তৈরির প্রচেষ্টা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এ দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, এরা ধর্মান্ধ নয়। এরা নাশকতাকে ঘৃণা করে। এজন্য মিডিয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি বলেন, দেশে অস্থির পরিবেশ তৈরির যে প্রচেষ্টা চলছে এর পেছনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এদেশের মানুষ জঙ্গিবাদ পছন্দ করে না, প্রশ্রয় দেয় না।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ ও ময়দান পরিদর্শনে এসে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে পুলিশের কন্ট্রোল রুমে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমাদের এ জমায়েতটা সুন্দরভাবে হবে। ধর্মপ্রাণ মানুষ যারা আসবেন তারা জমায়েত শেষে আবার নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরে যেতে পারবেন। এ জন্য প্রশাসন, পুলিশ সবাই তৈরি থাকে। বাইরে থেকে যেসব মেহমান আসবেন তারাও সুন্দরমতো বাড়ি ফিরে যেতে পারবেন। আমি নির্ভরতার সঙ্গে জানাচ্ছি এ জমায়েত অবশ্যই সফল হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি আমাদের এখানে নাশকতা, জঙ্গিবাদ এবং যে সমস্ত হত্যাকাণ্ড সেগুলো আমরা এখন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের অভিজ্ঞতা, নিরাপত্তা বাহিনী, গোয়েন্দা সদস্য রয়েছে। সর্বোপরি এলাকাবাসী, আমাদের দেশের মানুষ, জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেয় না, পছন্দ করে না।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আকম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, জঙ্গিবাদীরা যেন অপকর্ম করতে না পারে সেজন্য কঠোরভাবে কাজ চলছে। আগে সরকার ইজতেমার দায়িত্ব রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করেনি। শেখ হাসিনার সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রীয়ভাবে ইজতেমার দায়িত্ব পালন করছেন।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন- জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লার রহমান, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মইনুল রহমান চৌধুরী, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম, অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন) শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, ইজতেমা নিরাপত্তার জন্য ৫ হাজার ফোর্স, ৬০টি সিসিটিভি, ৫টি ওয়াচ টাওয়ার, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং এই প্রথম বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সাদা পোশাকে পুলিশ টহল থাকবে। আজ মঙ্গলবার থেকেই এ বাহিনীগুলো কাজ শুরু করেছে।
পরে মন্ত্রীসহ অতিথিরা ইজতেমা মাঠের কার্যক্রম, বিদেশী মেহমানখানা, মূলবয়ানমঞ্চ ও সেবার বিভিন্ন খোঁজখবর নেন। তিনি ইজতেমার আয়োজক মুরুব্বিদের সঙ্গেও কথা বলেন।