Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:১০ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

রুহুল কবির রিজভী
রুহুল কবির রিজভী, ফাইল ফটো

‘দেশকে ভারতের হাতে উজাড় করে দিচ্ছে সরকার’

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশকে তারা ভারতের হাতে উজাড় করে দিচ্ছে।  প্রতিবেশী ভারত-বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দর, সড়ক ও মুক্ত ভারত বাংলাদেশের বিভিন্ন বন্দর, সড়ক ও মুক্ত আকাশ সুবিধা নিলে আক্ষরিক অর্থেই আমাদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বলে কিছুই থাকবে না বলে আশংকা করছে বিএনপি।

শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বর্তমান বিনাভোটের সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে একের পর এক চুক্তি করে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে তারা ভারতের হাতে উজাড় করে দিচ্ছে। অথচ বিনিময়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কিছুই পায়নি। ভারত একতরফাভাবে অভিন্ন নদীর পানি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এক লিটার পানিও তারা ছাড় দিচ্ছে না। ইতিমধ্যে বলতে গেলে বিনামূল্যেই ট্রানজিট সুবিধা দেয়া হয়েছে।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশ ও বিশ্বজনমতকে উপেক্ষা ও অগ্রাহ্য করে ভারত জবরদস্তিমূলকভাবে রামপালে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যূৎ প্রকল্প চালু করতে গিয়ে বাংলাদেশের পরিবেশ, প্রতিবেশ, আবহাওয়া ধ্বংস করে বাংলাদেশী মানুষদের বিলুপ্তযুগের প্রাণীদের দলে ঠেলে দেয়ার আয়োজন চলছে। অথচ বিনাভোটের বাংলাদেশের নতজানু সরকার প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা প্রদর্শনের বদলে বিধ্বংসী ভাঙনের ছেলেখেলায় মেতে উঠেছে।

রিজভী বলেন,  ভারতসহ পৃথিবীর অনেক দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের আকাশ চুক্তি আছে। কিন্তু কোনো দেশের সঙ্গেই মুক্ত আকাশ সুবিধা দেয়ার চুক্তি নেই। এতে বাংলাদেশের কোনো লাভ হবে না, এমনকি প্রয়োজনও নেই। শুধু ভারতের স্বার্থে সরকার এ চুক্তি করতে পারে। এতে বিমান ব্যবসা একচেটিয়াভাবে ভারতের কাছে চলে যাওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের বাইরে নিজস্ব ফ্রিকোয়েন্সিতে ভারত বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও আকাশ ব্যবহারের ফলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকিতে পড়বে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা থাকলেও তারা একধরণের ভীতি ও আশঙ্কার দোলাচালে দুলছে। দিন যত ঘনিয়ে আসছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, ক্যাডারদের দৌরাত্মের মাত্রা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এ নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। তারা আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম কমাতে কার্যকর কোন পদক্ষেপই গ্রহণ করছেন না।