ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৫৮ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মাহবুব উল আলম হানিফ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ফাইল ফটো

দেশকে অস্থিতিশীল করার শক্তি বিএনপির নেই : হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপি সাংগঠনিকভাবে এতটাই দূর্বল হয়ে পড়েছে যে আন্দোলনের নামে সহিংসতা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার মতো শক্তি তাদের নেই।

তিনি বলেন, তাই তারা কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর ভর করেছিল। সেখানেও তারা ব্যর্থ হয়ে শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক নিরাপদ সড়কের দাবির আন্দোলনের ওপর ভর করেছিল।

হানিফ বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আন্দোলনের ওপর ভর করেও সফল হতে না পেরে তারা আবারো নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বিবি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘ ১৯৭৫-২০১৮ : রাজনৈতিক বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি বাহাদুর বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক রাহাত খান।

ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান তপনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মহিউদ্দিন মাহি।

মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচার হলেও এ হত্যাকান্ডের নেপথ্য নায়কদের বিচার হয় নি। মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি দেশী-বিদেশী সা¤্রাজ্যবাদী শক্তির সহায়তায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের মূল চক্রান্তকারী ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। জিয়া পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন,

সেজন্যই মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতার জন্য পাক হানাদার বাহিনী যখন গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছিল তখন পাক হানাদার বাহিনী বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় দিয়েছিল।

হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর যে সরকার গঠিত হয়েছিল সে সরকারের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন জিয়াউর রহমান। বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম নামমাত্র প্রধান ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্দয় সামরিক শাসক ছিলেন। তার হতে প্রায় সহস্রাধিক মুক্তিযোদ্ধা সেনা কমর্কতা ও সদস্য নিহত হয়েছে। সেই দলের নেতাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি শোভা পায় না।