ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:৩৮ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

বেগম খালেদা জিয়া
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ফাইল ফটো

দুর্নীতির মামলা: খালেদার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট চায় দুদক

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানির জন্য হাজির না হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে আবেদন জানায় দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

অপরদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লা মিয়া ও জিয়া উদ্দিন জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছেন বলে মেডিকেল সাটিফিকেট দাখিল করেন।

তবে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদনের বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি।

দুই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২৪ জুলাই দিন ধার্য করেন।

দুদকের প্যানেলভুক্ত আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ দুর্নীতির দুই মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। অপরদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষের সমর্থনের জন্যও দিন ধার্য ছিল।

আদালত সূত্র জানায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত।

চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি এ মামলার অন্যতম আসামি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাজির না হওয়ায় তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

এদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় অপর মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় আসামিদের বিচার শুরু হয়।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর নিজেকে ‘সম্পূর্ণভাবে নির্দোষ’ দাবি করে এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন খালেদা জিয়া।