ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:৫১ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মুস্তফা কামাল
পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, ফাইল ফটো

দারিদ্র্য হার কমে ২২.৩ শতাংশে নেমে এসেছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বর্তমান সরকারের পরিকল্পিত ও সুষম দারিদ্র্যবান্ধব উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের ফলে দারিদ্র্য হার ২২ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

তিনি বলেন, বাস্তবায়নাধীন সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ নেমে আসবে।

তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ২০০০, ২০০৫, ২০১০ সময়ে দারিদ্র্যের হার যথাক্রমে ৪৮ দশমিক ৯, ৪০ শতাংশ ও ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল। এ সময়ে শহরের দারিদ্র্যের হার যথাক্রমে ৩৫ দশমিক ২, ২৮ দশমিক ৪ ও ২১ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল। একই সময়ে গ্রামীণ দারিদ্র্র্যের হার যথাক্রমে ৫২ দশমিক ৩, ৪৩ দশমিক ৮, ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ ছিল।

মুস্তফা কামাল বলেন, শহর এবং গ্রামের মধ্যে আয় বৈষম্য কমিয়ে আনতে সরকার ক্রমাগতভাবে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করছে। এ খাতে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৫ হাজার ২৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা বাজেটের ১৩ দশমিক ২৮ এবং জিডিপি’র ২ দশমিক ৩১ শতাংশ।

তিনি বলেন, এর বাইরে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলসমূহের দুর্বল গ্রামীণ অবকাঠামো (বিদ্যুৎ, গ্রামীণ সড়ক ও সেচ) এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্যা ও খরা)’র বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় খামার এবং কৃষিভিত্তিক আয় বৃদ্ধিতে সুনির্দিষ্ট বাধাসমূহ অপসারণে মনোযোগ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এছাড়া অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থানের জন্য চলতি অর্থবছরে বাজেটে ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর বাইরে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান ও বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় দরিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত প্রায় ১ কোটি পরিবারের ৪ কোটি মানুষকে পর্যায়ক্রমে দারিদ্র্যমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।