Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৪১ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

আছাদুজ্জামান মিয়া
ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, ফাইল ফটো

থার্টি ফার্স্ট: রাত ৮টায় ঘরে ফিরুন, সঙ্গে রাখুন পরিচয়পত্র

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিমশনার আছাদুজ্জামান মিয়া চলতি ইংরেজি বছরের শেষ দিন থার্টি ফার্স্টের রাতে আটটার মধ্যে রাজধানীবাসীকে ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অনুরোধ জানান। তিনি জানান, এবার ৩১ ডিসেম্বর রাতে ১০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটসহ নিরাপত্তার বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন।

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টার পর গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য কাকলি ও আমতলী ছাড়া কোনো পয়েন্ট খোলা থাকবে না। এছাড়া গুলশানে ঢোকার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট এলাকার স্টিকার ব্যবহার করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। গুলশান থেকে হাতিরঝিল হয়ে বেড়িয়ে যাওয়া যাবে। তবে প্রবেশ বন্ধ থাকবে। আর রাত আটটার পর হাতিরঝিল এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না। যানবাহন ব্যবহারকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। শাহবাগ ও নীলক্ষেত পয়েন্ট দিয়ে ডাইভারশনের ব্যবস্থা করেছে ট্রাফিক বিভাগ।

তিনি বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে চেকপোস্ট থাকবে। সন্ধ্যা ছয়টার পর টিএসসি ও গুলশান এলাকার রেস্টুরেন্ট হোটেলসহ সব ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কেউ যদি জন সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন ইনডোরে (আবাসিক বাসা, ক্লাব, অফিসের ভেতরে) আয়োজন করতে চান তবে পুলিশের অনুমতিক্রমে করা যাবে।

পথচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার অনুরোধ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, কারো চলাফেরায় সন্দেহ হলে পুলিশ তাকে তল্লাশি করতে পারে। সেজন্য পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। অ্যাম্বলেন্সসহ বিশেষ সেবার যানবাহন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছেড়ে দেয়া হবে। যথাসম্ভব নগরবাসীকে রাত আটটার মধ্যে স্ব স্ব আবাসিক এলাকায় চলে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

থার্টি ফাস্ট উপলক্ষে সুনির্দিস্ট কোনো হুমকি রয়েছে কীনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই। নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারীরা কৌশলি। তবে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত শক্তিশালী। তারা নিরবিচ্ছিন্নভাবে নজরদারি রাখবে। রাজধানীর কোথাও কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চললে নগরবাসীকে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানোর জন্য অনুরোধ জানান কমিশনার।