Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:২৭ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

তিন মাসে ব্যাংক ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার

দেশে শিল্পায়নের স্বার্থে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) পরিচালনা পর্যদের নবনির্বাচিত কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে ব্যাংক ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একইসাথে তারা প্রতিবছর প্রত্যেক জেলায় কমপক্ষে তিন জন শিল্পোদ্যোক্তা তৈরির অঙ্গীকার করেছেন।
রোববার রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মাতলুব আহমাদ এ কথা বলেন।
এ সময় এফবিসিসিআই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আলী আশরাফ, সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি কাজী আকরামউদ্দিন আহমেদ, নতুন কমিটির প্রথম সহসভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহসভাপতি মাহবুব-উল-আলমসহ নতুন কমিটির সব পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
মাতলুব আহমাদ বলেন,‘ব্যাংকের মোট অর্থের ৮০ শতাংশই ব্যবসায়ীরা লগ্নি করেন। আমরা ৯ শতাংশের বেশি হারে সুদ দিয়ে ব্যবসা চালাতে পারছি না। ব্যাংকের মালিকরাও ব্যবসায়ী, তারাও চায় সুদহার হ্রাস পাক। এতে তারাও লাভবান হবেন। কেননা তাদের যত টাকা ব্যাংকে বিনিয়োগ আছে, এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হয়।’
ব্যাংক মালিকদের সহযোগিতায় আগামী তিন মাসের মধ্যে ব্যাংক ঋণের সুদহার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ এই নেতা বলেন, ঋণের সুদহার হ্রাসের পর আমাদের দ্বিতীয় প্রধান কাজ হলো ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে শিল্পায়ন করা। জেলা পর্যায়ে যারা ব্যবসা করছেন, তাদের সক্ষমতা বাড়ানো। আমরা এ বছর থেকে প্রত্যেক জেলায় কমপক্ষে তিনজন শিল্পোদ্যোক্তা তৈরি করবো। এর জন্য তাদের কেবল উদ্যোগ এবং কিছু টাকা দরকার। ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা আমরা করে দেবো।
তিনি বলেন, এভাবে শিল্পায়ন করা গেলে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন অনুযায়ী ঘরে ঘরে চাকুরি দেওয়া সম্ভব হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এফবিসিসিআই নবনির্বাচিত সভাপতি বলেন, ‘দল-মতের উর্ধ্বে ঊঠে এফবিসিসিআইকে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করবো। আমাদের কাজ হচ্ছে, ব্যবসায়ীদের এগিয়ে দেয়া। তাদের সেবা প্রদান করা। এক্ষেত্রে কোন দল-মত বিবেচনায় নেয়া হবে না।’
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এফবিসিসিআই সংস্কারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। বলেন,‘নতুন পরিচালনা পর্যদের বড় দায়িত্ব হচ্ছে-এফবিসিসিআই-এর সংস্কার করা। ব্যবসায়ীরা যেভাবে চাইবেন, সেভাবে সংস্কার হবে। আগামীকাল নতুন কমিটির প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত হবে।’
মাতলুব আহমাদ ব্যবসায়ীদের জন্য সহনশীল মূসক আইনের দাবি করেন।
এর আগে নতুন পরিচালনা পর্যদ বিদায়ী কমিটির কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন। বিদায়ী সভাপতি কাজী আকরামউদ্দিন আহমেদ নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।