ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:১০ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘তারেকের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলায় পরবর্তী আদেশ বৃস্পতিবার’

অবৈধভাবে অর্থের লেনদেনের (মানি লন্ডারিং)অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দুই ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চকে বিষয়টি অবহিত করেছেন আজ দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। কাল বৃস্পতিবার পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ঠিক করে দিয়েছে আদালত।
খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘আমরা আদালতে বলেছি- আত্মসর্মণের জন্য এবং আপিলের বিষয়ে অবহিতের জন্য বহুল প্রচারিত দুই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। চার্জশিটে থাকা দুই ঠিকানায় (লন্ডন ও ঢাকা) সমনের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এরপর আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য কাল বৃস্পতিবার দিন ঠিক করে দিয়েছে।’
মানি লন্ডারিং এর অভিযোগে করা মামলায় তারেক রহমান বিরুদ্ধে গত ১২ জানুয়ারি সমন জারির নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। এর আগে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থের লেনদেনের অভিযোগে করা মামলায় বিচারিক আদালতে খালাসের আদেশ বাতিল চেয়ে আনা আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্যে গত ৩ জানুয়ারি আবেদন করে দুদক।
২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ ছেলে এবং দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খালাস দিয়ে রায় দেয় বিচারিক আদালত। একই মামলায় তাঁর বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদন্ড ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। পাচারকৃত ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেয় আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. মোতাহার হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর আপিল আবেদন দায়ের করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পনের আদেশ দেয় হাইকোর্ট।
২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে পুরো বিচার প্রক্রিয়াতেই অনুপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। জানাগেছে গত আট বছর ধরে তিনি যুক্তরাজ্যে রয়েছেন।