Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৩৭ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

তারেক রহমান
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান

‘তারেকের বিরুদ্ধে অর্থপাচার মামলার আপিল শুনানি ৪ মে’

অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে দেয়া খালাসের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিলের শুনানি ৪ মে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের লন্ডনের ঠিকানায় পাঠানো আত্মসমর্পণের সমন পৌঁছেছে কিনা, তা বিচারিক আদালতকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গত ৩ মার্চ সিএমএম আদালত হাইকোর্টকে জানিয়েছেন- প্রথমে তারা হাইকোর্টের আদেশ বোঝেননি। পরে ২৯ ফেব্রুয়ারি আবারো সমন পাঠানো হয়েছে।

মানি লন্ডারিং এর অভিযোগে করা মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গত ১২ জানুয়ারি সমন জারির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থের লেনদেনের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগে করা মামলায় বিচারিক আদালতে খালাসের আদেশ বাতিল চেয়ে আনা আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্যে গত ৩ জানুয়ারি আবেদন করে দুদক।

২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের খালাস দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। একই মামলায় তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। পাচারকৃত ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. মোতাহার হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর আপিল আবেদন দায়ের করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পনের আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে পুরো বিচার প্রক্রিয়াতেই অনুপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। গত আট বছর ধরে তিনি যুক্তরাজ্যে রয়েছেন।