ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:২৯ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

তারেক রহমান
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান

‘তারেকের খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের রায় কাল’

অর্থপাচার ‍মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেয়া খালাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিলের রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

বুধবার সকালে দেখা যায়, সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে উক্ত বেঞ্চের বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা এ মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য ৪ নম্বরে রাখা হয়েছে।

এছাড়া এই মামলায় সাজার বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের করা আপিল আবেদনে রায়ও ঘোষণা করা হবে।

গত ১৬  জুন এ মামলার শুনানি শেষ হয়। ওই দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়।

প্রসঙ্গত, অর্থপাচারের এ মামলায় ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়ে তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত।

এছাড়া পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেয়া হয়।

এ রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর আপিল করে দুদক।  এছাড়া সাজার বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেন গিয়াস উদ্দিন আল-মামুনও।

২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমপর্ণের আদেশ দেন বিচারপতি নিজামুল হক ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ। এরপর সমন জারি ও পত্রিকায় বেশ কয়েকবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে তিনি এখনো আত্মসমর্পণ করেননি।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলাটি করে দুদক। এরপর ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত। এরপর ২০১১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলাটিতে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য নির্মাণ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এ টাকা লেনদেন হয়।
এরপর মামুন ওই অর্থ সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রিটের সিটি ব্যাংক এনএতে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। এ টাকার মধ্যে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।