Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:২৫ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

“ডলার চুরি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিবৃতি আরো ভয়ানক”

বাংলাদেশ ব্যাংক স্বীকার করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকে গচ্ছিত রিজার্ভ থেকে ৯৫ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির চেষ্টা করা হয়েছিল। এ জন্য ৩৫টি পরামর্শ বা অর্থ পরিশোধের নির্দেশ পাঠানো হয়েছিল ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সাইবার আক্রমণে ৩৫টি ভুয়া পরিশোধ নির্দেশের ৯৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে ৩০টি নির্দেশের ৮৫ কোটি ডলার বেহাত হওয়া শুরুতেই প্রতিহত করা গেছে। অবশিষ্ট ১০ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে দুই কোটি ডলার এরই মধ্যে ফেরত আনা গেছে। বাকি ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৬৩৫ কোটি টাকা) ফেরত আনার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
বাংলাদেশ ব্যাংক আগেই জানিয়েছিল, নিউইয়র্কের ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়ে শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে স্থানান্তরিত হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর হওয়া দুই কোটি ডলার ফেরত আনা হয়েছে। ফিলিপাইনে যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফেরত আনার চেষ্টা চলছে।
ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সাইবার আক্রমণের ঘটনায় হারানো তহবিলের অঙ্ক নিয়ে কোনো কোনো মহলে অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

আমি যদি বুঝতে ভুল না করে থাকি বস্তুত বিবৃতির মাধ্যমে ৯৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে ৩০টি নির্দেশের ৮৫ কোটি ডলার বেহাত হওয়া শুরুতেই প্রতিহত করা গেছে বলে এখনো কৃতিত্ব নিতে চাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে ভিন্ন কথা সে কৃতিত্ব  বাংলাদেশ ব্যাংকের নয়। বিবৃতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষ্যমতে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরোক্ষভাবে স্বীকার করা হয়েছে, সেটা হল বিবৃতিতে বলা হয় ‘ভবিষ্যতে সাইবার আক্রমণের বিরুদ্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি প্লাটফরমে আধুনিকতম প্রতিরোধ ব্যবস্থার সন্নিবেশও দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে’। তার মানে সাইবার আক্রমনের আধুনিকতম প্রতিরোধ ব্যবস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের নাই/ ছিলনা?

ফেসবুক পেজের বিবৃতিটি নিম্নে দেয়া হলঃ

bank4