Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:০৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২০শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

ট্রাম্প সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছেন: হিলারি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছেন।

এর আগে ট্রাম্প অস্ত্র বহনের যারা সমর্থক তাদের উদ্দেশে হিলারি যেন জিততে না পারে সে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান। তিনি অস্ত্র বহনকারীদের তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন। তার এসব কথা ডেমোক্রেটিক সমর্থকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

বুধবার আইওয়ায় এক সমাবেশে হিলারি ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, শব্দ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে কেউ যদি প্রেসিডেন্ট হতে চায় তার জন্যে আরো বেশি। কারণ শব্দের পরিণতি মারাত্মক হতে পারে।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার মতো মেজাজ ট্রাম্পের নেই।

হিলারি ইরাকে নিহত মুসলিম মার্কিন সৈন্যের পরিবারের সাথে ট্রাম্পের বিবাদে জড়ানোর বিষয়টির তীব্র সমালোচনা করেন। মার্কিন সেনাবাহিনী পরিবারটিকে গোল্ড স্টার পরিবার হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

হিলারি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সব ধরণের মন্তব্যই সীমা ছাড়িয়ে গেছে। গোল্ড স্টার পরিবারের সঙ্গে তার নিষ্ঠুরতা, আরো অনেকগুলো দেশের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকার পক্ষে তার অভিমত এবং সহিংসতা উস্কে দেয়ার মতো মন্তব্য-এ সব কিছুই ইংগিত করে প্রেসিডেন্ট হওয়ার মেজাজ ট্রাম্পের নেই।

ট্রাম্প নর্থ ক্যারোলাইনায় মঙ্গলবার এক নির্বাচনী সমাবেশে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় বলেন, অস্ত্র বহনের যে অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের শাসনতন্ত্রের দ্বিতীয় সংশোধনীতে সংরক্ষিত আছে, হিলারি তা রদ করতে চান। তিনি বলেন, হিলারি প্রেসিডেন্ট হলে সুপ্রিম কোর্টে এমন সব বিচারপতি নিয়োগ দেবেন, যাঁরা এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে। ট্রাম্প আরো বলেন, ‘তখন আর কারোই কিছুই করার থাকবে না। তবে যারা দ্বিতীয় সংশোধনী সমর্থন করে, তারা যদি চায় তাহলে…, এই পর্যন্ত বলে তিনি এমন এক মুখভঙ্গি করেন, যার অর্থ হতে পারে, যাদের হাতে বন্দুক আছে, তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে।

সামাজিক মাধ্যমগুলো দ্রুতই এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্পের নিন্দা জানান এবং তার বিরুদ্ধে সহিংসতা উস্কে দেয়ার অভিযোগ করেন।
কিন্তু ট্রাম্প এ অভিযোগ অস্বীকার করে এক টুইট বার্তায় বলেন, তিনি অস্ত্র বহনের অধিকারের সমর্থকদের কেবল এক করতে চেয়েছেন। তারা যেন ভোট দিয়ে হিলারিকে পরাজিত করেন।