শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৪৩ ঢাকা, রবিবার  ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

টিআইবি ক্ষমা না চাইলে ব্যবস্থা

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র বক্তব্যের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা না চাইলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, এরা কারা? এদের পরিচয় কি? এই টিআইবি’র মুখপাত্ররা কি চায়? তারা যে ভাষা ব্যবহার করেছে, এই জন্য টিআইবিকে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে এদের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকারÑ ১৪ দল সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নাসিম আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা’র রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। আগামী ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভাকে সফল করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
টিআইবির বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, কিভাবে তারা বলতে পারে এই পার্লামেন্ট একটি নাট্যশালা? তারা কিভাবে বলতে পারে এই পার্লামেন্ট পুতুল নাচের আসর। যারা এই কথাগুলো বলেছে তা একটি রাজনৈতিক দলও সে ভাষায় কথা বলতে পারে না। কিন্তু টিআইবি সে ভাষায় কথা বলেছে। এটা অর্র্মাজনীয়। তারা বিএনপি-জামায়াতের চেয়েও জঘন্য ভাষায় সংসদকে আক্রমণ করে কথা বলেছে।
তিনি বলেন, টিআইবি চেয়েছিল ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হোক। আর নির্বাচন না হলে দেশে একটি অসাংবিধানিক সরকার আসবে ? সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি বলেই কি আজকে তাদের এত ক্ষোভ? তারা শুধু পার্লামেন্টকে আক্রমণ করে নাই। যে ভাষা ব্যবহার করেছে, এই জন্য টিআইবিকে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। টিআইবির তথাকথিত মুখপাত্ররা জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপমান করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে টিআইবির অর্থের উৎস ও পৃষ্টপোষকদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, এরা নির্বাচন চেয়েছে। ওদের নির্বাচন চাওয়ার অধিকার কে দিয়েছে। ওদের কাজ গবেষণা করা। ওরা ওদের এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে এসব কথা বলেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় ওরা দেশে গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থার সরকার চায় না, অসাংবিধানিক সরকার চায়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ওদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও করবে।
সম্প্রতি দুজন বিদেশী নাগরিক হত্যা, তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলা এবং পুলিশ হত্যার ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা উল্লেখ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, একজন নেত্রী বিদেশে আছেন। তিনি বিদেশে গেলেন আর একের পর এক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। চিহ্নিত করা হয়েছে তারা একটি দলের মুখচেনা লোক।
এর আগে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুনন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী ও এস এম কামাল হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোল সদস্য কামরুল আহসান, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নূরুল আম্বিয়া, জাতীয় পার্টি জেপির মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির নুরুর রহমান সেলিম, বাসদের আহবায়ক রেজাউর রশিদ খান, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম, ন্যাপের ইসমাইল হোসেন, গণআজাদী লীগের এস কে শিকদার প্রমুখ।