Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:৩৮ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

তোফায়েল আহমেদ
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, ফাইল ফটো

টিআইবি’র বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, তৈরি পোশাক খাত নিয়ে অসত্য তথ্য পরিবেশনের অপরাধে টিআইবি’র বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত।
তিনি বলেন, টিআইবি তৈরি পোশাক খাতের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আজ রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির ৪নং হলে বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসারিজ এন্ড প্যাকেজিং ম্যান্যুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে চারদিনব্যাপী গ্যাপেক্সপো-২০১৬- এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তৈরি পোশাক শিল্প দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর দেশের তৈরি পোশাক খাত যে ইমেজ সংকটে পড়েছিল সরকার এবং শিল্প মালিকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সে সংকট কাটিয়ে উঠেছে। ক্রেতাদের সংগঠন এ্যাকোর্ড এবং এ্যালায়েন্স নিয়মিতভাবে তৈরি পোশাক কারখানাগুলো পরিদর্শ করে সন্তোষ প্রকাশ করছে।
তিনি বলেন, বিদেশী রাষ্ট্রদূতগণ কারখানাগুলো পরিদর্শন করে বাংলাদেশের কারখানাগুলোর কম্প্লায়েন্স দেখে সন্তুষ্ট। যে সময় বাংলাদেশ ক্রেতাগোষ্ঠীর প্রতি আস্থা ফিরে পেয়েছে, ঠিক সে সময় টিআইবি’র এ ধরনের অপপ্রচার উদ্দেশ্য প্রনোদিত। বিদেশীদের কাছে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্থ করতে টিআইবি এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোন উন্নয়ন টিআইবি ভালো চোখে দেখে না। এ জন্য টিআইবি’র বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত।
মন্ত্রী বলেন, সরকার বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে তৈরী পোশাক থেকে আসবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। পরিকল্পিতভাবে এ সেক্টরের ক্ষতি করতে টিআইবি এ ধরনের অসত্য প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের তেরী পোশাক কারখানাগুলো এখন কম্পøায়েন্স। এ খাতের ৮০ ভাগ শ্রমিক মহিলা। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা শিশু পরিচর্চ্চাসহ কর্মবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্প এগিয়ে যাচ্ছে।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসারিজ এন্ড প্যাকেজিং সেক্টর দ্রত এগিয়ে যাচ্ছে। এক সময় এ সকল এক্সেসরিজ বিদেশ থেকে আমদানি করে তৈরী পোশাক কারখানার চাহিদা পূরণ করা হতো। এখন এটি সম্ভাবনাময় শিল্প। এখন অভ্যন্তরিন চাহিদা পূরণ করে তা বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। তৈরী পোশাক খাতের ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে এখাতের অবদান থাকবে ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার রপ্তানি খাতকে উৎসাহিত করতে নতুন পণ্য রপ্তানিতে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এখাতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের বিষয়ে পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসারিজ এন্ড প্যাকেজিং ম্যান্যুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাফেজ আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম, এফবিসিসিআই-এর সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ, বিজিএমই-এর সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী পারভেজ এবং অনুষ্ঠানের কো-অর্গানাইজার নন্দ গোপাল।