Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:১২ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

আবুল মাল আবদুল মুহিত।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, ফাইল ফটো

‘জ্বালানি তেলের দাম কমবে তবে বিদ্যুতের দাম বাড়বে’

জ্বালানি তেলের মূল্য কমবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ডিসেম্বরে দেশের অর্থনীতি পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা হবে। সেখানে তেলের মূল্য কমানোর প্রস্তাব দেবেন। এর আগে মূল্য কমানোর একটি প্রস্তাব বিদ্যুত ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

বেলা ২টায় আইএমএফ এর ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করেন। মিশনের নেতৃত্বে ছিলেন বিরেইন এইটকেন।

বৈঠক শেষে নিজ কার্যালয়ে বসে অর্থমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি অর্থনৈতিক কো-অডিনেশন কাউন্সিল বৈঠক হয়েছে। সেখানে অর্থনীতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের মূল্য কমলে অর্থনীতির জন্য ভাল হবে। মূল্য কমানোর জন্য প্রস্তাব তৈরি করা হচ্ছে। তা পাঠানো হবে বিদ্যুত ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে চুড়ান্ত প্রস্তাব পাঠানো হবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। জ্বালানি তেলের মূল্য কত কমতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটি এখন বলা যাচ্ছে না।

তেলের দাম কমলে সাধারণ মানুষের উপকারের আসে না এবং পরিবহন ভাড়ায় প্রভাব পড়ে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন, মূল্য কমলে সবকিছুর দাম কমবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর পর বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। বিদ্যুতের দাম কিছুটা বাড়বে। তবে বড় কিছু হবে না। এ সিদ্ধান্ত নেয়া না হলে বিদ্যুতের দাম দ্বিগুন করার পরিকল্পনা ছিল।  তিনি আরও বলেন, কম দামে বিদ্যুত আর পাচ্ছি না। সব কিছুর দাম বেড়েছে।

বিপিসির ভর্তুকির টাকা পরিশোধ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সকলের পাওনা দেয়া হয়ে গেছে। কারও কিছু পাওনা নেই।

আইএফএফ প্রতিনিধি বাংলাদেশ সম্পর্কে কি বলেছে, প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বংলাদেশ সম্পর্কে যা শুনেছে এবং পড়েন তা সঠিক দেখতে পেয়েছেন বলে তারা মন্তব্য করেছেন। তবে আইএমএফের দৃষ্টিতে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে বাংলাদেশের। অবশ্য চ্যালেঞ্জের কথা আমরাও জানি। প্রত্যেকেই এ কথা বলছি।

তিনি আরও বলেন, যে রাস্তায় আমরা যাচ্ছি, সে রাস্তায় কী করে থাকতে পারি এবং গতি কত দ্রুত হবে এ ব্যাপারেও প্রতিনিধি দল পরামর্শ দিয়েছেন।

কোন কোন খাতে আইএমএফ চ্যালেঞ্জ দেখছেন জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির অবস্থা যেখানে আছে সেখানে থাকতে পারবে কিনা। যেমন রফতানিতে ভাল করছি। এটি ধরে রাখা যাবে কিনা। বিনিয়োগ কিছুটা ভাল হচ্ছে। এ অবস্থায় আরও কিছু পরিবর্তন করা যায় কিনা।