ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৩৭ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

আদালত
আদালত

‘জোড়া খুন মামলায় নড়াইলে ২৩ আসামির যাবজ্জীবন’

নড়াইলে চাঞ্চল্যকর শাহীন ও আনোয়ারুল আজাদ লিচু হত্যা মামলায় সহোদরসহ ২৩  আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ৬ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৪ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার  দুপুরে নড়াইল জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবুল বাশার মুন্সী এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাপ্রাপ্ত হলেন- নড়াইলের কালিয়া থানার পারবিষ্ণুপুর গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে নজরুল ইসলাম শেখ ওরফে মনির, মিজানুর রহমান শেখ ও মিল্টন শেখ, একই গ্রামের আদাড়ে শেখের পুত্র মো. নজরুল, নওয়াগ্রামের মনি মিয়া শেখের ছেলে  হেনডী শেখ, ছিলিমপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক শেখের ছেলে আসাদ শেখ, দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের গোপাল সরদারের ছেলে মফিজ সরদার, তিতু সরদার ও শামছুর রহমান ওরফে ডাবলু, খুলনার দিঘলিয়া থানার সোনাকুড় গ্রামের ডা. আবুল ফজল সিকদারের ছেলে মিনহাজ সিকদার, বড়মহিষদিয়া গ্রামের সৈয়দ ফুরাদ আলীর ছেলে আমজাদ হোসেন ওরফে বাচ্চু, একই গ্রামের মৃত মতি মীরের ছেলে সৈয়দ হানেফ আলী, আতোষ শেখের ছেলে গোলাম শেখ ও বালাম শেখ, একই গ্রামের  মৃত মালেক শেখের পুত্র আব্দুল হাই, নড়াইলের কালিয়া থানার দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের রফি সরদার ও আলাল সরদার, পারবিষ্ণপুর গ্রামের কুটিমিয়া শেখের পুত্র সেলিম শেখ ও হারুন শেখ, একই গ্রামের আসমাইল বিশ্বাসের পুত্র বাশার বিশ্বাস, নওয়াগ্রামের মৃত জলিল মোল্যার পুত্র বাকের মোল্যা ওরফে বাছের মোল্যা, একই গ্রামের  মৃত আ. রউফ মোল্যার পুত্র কালাম মোল্যা ও খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানার পারমচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত হামিদ মোল্যার পুত্র শহিদুল মোল্যা।

এদের মধ্যে তিতু সরদার, শামসুর রহমান ওরয়ে ডাবলু, বালাম শেখ ও বাকের মোল্যা ওরফে বাছের মোল্যা পলাতক রয়েছেন । এছাড়া মামলা চলাকালীন ৬ আসামি মারা গেছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ১৪ এপ্রিল নড়াইলের কালিয়া উপজেলার খুলনার দৌলতপুর এলাকার সোনা মিয়ার পুত্র শাহীন ও তেরখাদা থানার বারাসাত গ্রামের এসএমএ মজিদের পুত্র এসএম আনোয়ারুল আজাদ লিচু বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল। এ সময় খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারমচন্দ্রপুর গ্রামের আকবর হোসেন মোল্যার (বর্তমানে মৃত) নেতৃত্বে আসামিরা তাদের এলোপাতাড়ি গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহত লিচুর ভাই এসএম আনোয়ারুল বাশার বাদী হয়ে ২৯ জনকে আসামি করে কালিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) শহিদুল আলম চৌধুরী  ২৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২৩ আসামির  বিরুদ্ধে এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় ১৯ আসামি আদালতে হাজির ছিলেন।