ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:০১ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

খন্দকার মোশাররফ হোসেন
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জেলা পরিষদের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

‘জেলা পরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ’

প্রথমবারের মতো নির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্যরা আজ বুধবার শপথ গ্রহণ করেছেন।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি সকাল সাড়ে ১০টায় ও বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দুই পর্বে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত এই সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

স্থানীয় সরকার বিভাগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী প্রথমে সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ৫৫৮ জন জেলা পরিষদের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

পরে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বেলা সাড়ে ১১ টায় রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের জেলা পরিষদের ৬১১ জন নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

এলজিআরডি সচিব আবদুল মালেক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। তিনি শপথ অনুষ্ঠানে জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১৬৯ জন সদস্যের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, যাঁদের শপথ আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র জানায়, ২০০০ সালে সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদ আইনটি পাসের ১৬ বছর পর গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর ৫৯টি জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা পরিষদের ১৩১ বছরের ইতিহাসে এটিই ছিল জেলা পরিষদের প্রথম সরাসরি নির্বাচন। আইনি জটিলতার কারণে কুষ্টিয়া ও বগুড়া জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। এছাড়া তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচন পৃথক আইনে অনুষ্ঠিত হয়।

ইসি সূত্র আরও জানিয়েছে, এদিকে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত ৫৯ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা গত ১১ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তাদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এদিকে জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা প্রথম বারের মত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার ছিলেন। তিনটি পার্বত্য জেলা ছাড়া ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।