ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:১৮ ঢাকা, রবিবার  ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

জিয়া ‘মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের বিতর্কিত লোককে বানিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী’- আমু

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বিতর্কিত লোককে জিয়াউর রহমান প্রধানমন্ত্রী করেছিল।

আমাদের দেশের মেধাবী ছাত্ররা আজ জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। তাদেরকে মাদকের মাধ্যমে নেশাগ্রস্ত করে বেহেস্তে যাওয়ার কথা বলে জঙ্গিবাদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটা কারো জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আজ শুক্রবার বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটির কেন্দ্রীয় ঈদগা ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪১ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

amu28

নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খন্দকার মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহআলম, সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. মো. ইউনুস লস্কর প্রমুখ।

আমির হোসেন আমু বলেন, এর আগেও যারা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছিল তারাও রেহাই পায়নি। এখন যারা দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করছে, তারাও রেহাই পাবেনা ।

মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের এক ব্যক্তি শাহ আজিজকে জিয়াউর রহমান প্রধানমন্ত্রী করেছিলেন মন্তব্য করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, শাহ আজিজ জাতিসংঘে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই বিতর্কিত লোককে জিয়াউর রহমান প্রধানমন্ত্রী করেছিল। এভাবেই বিএনপি দেশে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকে পুনর্বাসন করেছে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরই বিএনপি-জামায়াত মানুষ হত্যা করে আসছে। সেই অপশক্তি আবার ২০১৫ সালেও আগুন দিয়ে এবং পেট্রোলবোমা মেরে নৃশংস হত্যাকান্ডে লিপ্ত হয়। কৌশল পাল্টেই অপশক্তিগুলো বারবার দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই রেহাই পাবে না বলেও মন্ত্রী মন্তব্য করেন।

শিল্পমন্ত্রী এর আগে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ঘূণিঝড় রোয়ানু ক্ষতিগ্রস্ত ১৬০ জনকে গৃহনির্মাণের জন্য একবান করে ঢেউ টিন ও নগদ তিন হাজার টাকা প্রদান করেন।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত টিন ও টাকা বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. কামরুল হুদা।