Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:২৪ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

‘জাল নোটসহ গ্রেফতারকৃত আসামিকে জাল কাগজপত্র দিয়ে জামিনের চেষ্টাকারী আটক’

মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে ২৫ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার। কিন্তু হাইকোর্টে এসে সেই এজাহারেই উল্লেখ করা হয়েছে ৪ হাজার টাকার। এই ধরনের ভুয়া নথি দাখিল করে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে  আদালত থেকে জামিন প্রাপ্তির চেষ্টা চালানোর অভিযোগে তদবিরকারী শুকুর আলীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে হাইকোর্ট।একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার মামলার মূল নথি পরীক্ষা করে এই আদেশ দেন।
জানা গেছে, গত বছরের ১০ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানায় হামিদুর রহমানসহ দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ২৫ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওইদিনই থানায় মামলা করা হয়। এই মামলায় আসামি হামিদুর রহমান নিম্ন আদালতে জামিন চান। কিন্তু আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে দেয়। পরে হাইকোর্টে এসে সোমবার জামিন চান ওই আসামি। জামিন আবেদনের নথিতে মামলার এজাহারের সার্টিফায়েড কপি পরিবর্তন করে ২৫ লাখ টাকার পরিবর্তে ৪ হাজার টাকার জাল নোট আসামির কাছ থেকে উদ্ধার করেছে মর্মে উল্লেখ করে জাল কাগজপত্র দাখিল করে। বিষয়টি সন্দেহজনক হলে সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশিরউল্লাহ এ ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। এরপর হাইকোর্টকে অবহিত করেন। হাইকোর্ট সোমবার নিম্ন আদালত থেকে মামলার মূল নথি তলব করে তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে জাল কাগজপত্রের সত্যতা পান।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. সেলিম আদালতে বলেন, বিষয়টি  আমি জানিনা। শুকুর আলী নামে একজন তদবিরকারী মামলাটি আমার কাছে নিয়ে আসেন। তখন শুকুর আলী আদালত কক্ষ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে অন্যান্য আইনজীবীরা তাকে বাধা দেন। এরপর হাইকোর্ট ওই তদবিরকারীকে পুলিশে সোপর্দ করার আদেশ দেন। এরপর শাহবাগ থানা পুলিশ ওই তদবিরকারীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।