ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:১৪ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

রাশেদ খান মেনন
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ফাইল ফটো

“জামায়াতের রাজনীতিকে পাকাপোক্ত করেছে জিয়া-খালেদা”

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া-খালেদা ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দিয়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বিশেষ করে জামায়াতের রাজনীতিকে এদেশে পাকাপোক্ত করেছে।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবেই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জিয়া কেবল সংবিধান থেকেই ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দেয়নি, বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি, বিশেষ করে জামাতের রাজনীতিকে তিনি এদেশে পাকাপোক্ত করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে এই রাজনৈতিক অপশক্তির ষড়যন্ত্র কাজ করেছে। বিএনপি-জামাতের সেই নোংরা রাজনীতি এখনও অব্যাহত রয়েছে। এই বিষবৃক্ষকে রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে সমূলে উৎপাটিত করতে হবে। জাতীয় শোক দিবসে এটাই সবার লক্ষ্য হতে হবে।’

মন্ত্রী আজ রাজধানীর মতিঝিল, শাহজাহানপুর ও পল্টন থানা আওয়ামী লীগের থানা ও ওয়ার্ড সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের এক সভায় এসব কথা বলেন। রাজধানীতে মন্ত্রীর মিন্টো রোডস্থ বাসভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাম্প্রতিক সড়ক আন্দোলনে বিএনপি’র সংশ্লিষ্টতা তুলে ধরে মেনন বলেন, ‘বিএনপি নিজেরা কোন আন্দোলন গড়ে তুলতে না পেরে এখন ছাত্র কিশোরদের উপর ভর করে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির খেলায় মেতে উঠেছিল। জামায়াত এজন্য বিভিন্ন জেলা থেকে শিবির কর্মীদের ঢাকায় এনে জড়ো করেছিল। তাদের অপচেষ্ঠা এবারও ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনের আগে তারা এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা আরও করবে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে অব্যাহত রাখার স্বার্থে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত থাকতে হবে।

তিনি জনগণের কাছে বিএনপি জামায়াতের হত্যাকান্ড ও অভ্যুত্থানের রাজনীতি এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরার আহবান জানান।

মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বসিরুল আলম খান বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সভায় মতিঝিল থানার সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন, শাহজাহানপুর থানার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত হাওলাদার হৃদয়, পল্টন থানার সভাপতি এনামুল হক আবুল ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা আলোচনায় অংশ নেন।