ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১:২২ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

জেএমবি
শনিবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

জাপানি নাগরিক হত্যার আসামিসহ জেএমবির ৪ সদস্য আটক

রংপুরের সদর উপজেলা থেকে আঞ্চলিক কমান্ডার বেলাল হোসেনসহ (৪৬) নিষিদ্ধঘোষিত জামাআতুল মুজাহেদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) চার সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের সাহাবাজপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, পীরগাছা উপজেলার দুর্গাচরণ গ্রামের মৃত জয়নুদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন (৪৬), পশুয়া টাঙ্গাইল পাড়া গ্রামের হবিবুর রহমানের ছেলে এরশাদ আলম (২৮), মনতাজুর রহমানের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২৩) ও পশুয়া খাঁপাড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে আল-আমিন (২০)।

পুলিশের দাবি, এদের মধ্যে বেলাল হোসেন জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলার আসামিদের প্রশিক্ষক।

রংপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এবিএম জাহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, নাশকতার উদ্দেশ্যে সাহাবাজপুর গ্রামের পরিত্যক্ত একটি ইটভাটায় জেএমবি সদস্যরা গোপন বৈঠক করছে- এমন খবরে অভিযান চালায় পুলিশ।

এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ককটেল নিক্ষেপ করে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশও ৬ রাউন্ড গুলি ছুড়ে তাদের জবাব দেয়। এক পর্যায়ে ওই চারজনকে আটক করে পুলিশ। বাকিরা পালিয়ে যায়।

জেএমবি সদস্যদের ছোড়া ককটেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মাসুদ করিম, কনস্টেবল আসাদ, কোতোয়ালি থানার কনস্টেবল কুতুবসহ চারজন আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় পিস্তলসহ দুটি চাপাতি, একটি চাইনিজ কুড়াল ও তিনটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ অক্টোবর জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি রিকশাযোগে রংপুর নগরীর মুন্সিপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে নিজ খামার বাড়িতে যাওয়ার পথে কাচু আলুটারী গ্রামে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

এই মামলার আট আসামির মধ্যে গ্রেফতার চারজন হলেন, ইছাহাক আলী (৪৮), মাসুদ রানা ওরফে মাসুদ (২৮), আবু সাঈদ (৩৫) ও লিটন মিয়া (৩২)।

এছাড়া সাদ্দাম হোসেন (৩১), আহসান উল্লাহ আনছারী (৩০) ও সাখাওয়াত হোসেন (৪০) পলাতক।

আর নজরুল ইসলাম (৩৬) কিছুদিন আগে রাজশাহীতে আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।